• About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
Thursday, February 26, 2026
Bangla Data
  • Login
  • Register
  • একাডেমিক
    • তৃতীয় শ্রেণি
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
    • অষ্টম শ্রেণি
    • নবম-দশম শ্রেণি
    • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
    • ডিগ্রি
    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • ইঞ্জিনিয়ারিং
    • মেডিকেল
    • ভর্তি ও পরীক্ষা
  • এসএসসি-২০২৬ শর্ট সাজেশন
  • এইচএসসি-২০২৬ সাজেশন
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • স্কিল ডেভেলপমেন্ট
  • ক্যারিয়ার
  • স্কলারশিপ
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্যপাতা
    • ডাউনলোড
    • চাকরী-বাকরী
    • ইংরেজী শিখুন
    • ফ্রিল্যান্সিং
    • সাধারণ জ্ঞান
    • গুগল এ্যাডসেন্স
    • ব্যাংকিং
    • নাগরিক সেবা
    • টিপস এন্ড ট্রিক্স
    • গেস্ট ব্লগিং
    • জমিজমা
    • ধর্মকথা
    • প্রবাস জীবন
    • ইচ্ছেঘুড়ি
    • প্রোডাক্ট রিভিউ
    • বায়োগ্রাফি
No Result
View All Result
  • একাডেমিক
    • তৃতীয় শ্রেণি
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
    • অষ্টম শ্রেণি
    • নবম-দশম শ্রেণি
    • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
    • ডিগ্রি
    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • ইঞ্জিনিয়ারিং
    • মেডিকেল
    • ভর্তি ও পরীক্ষা
  • এসএসসি-২০২৬ শর্ট সাজেশন
  • এইচএসসি-২০২৬ সাজেশন
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • স্কিল ডেভেলপমেন্ট
  • ক্যারিয়ার
  • স্কলারশিপ
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্যপাতা
    • ডাউনলোড
    • চাকরী-বাকরী
    • ইংরেজী শিখুন
    • ফ্রিল্যান্সিং
    • সাধারণ জ্ঞান
    • গুগল এ্যাডসেন্স
    • ব্যাংকিং
    • নাগরিক সেবা
    • টিপস এন্ড ট্রিক্স
    • গেস্ট ব্লগিং
    • জমিজমা
    • ধর্মকথা
    • প্রবাস জীবন
    • ইচ্ছেঘুড়ি
    • প্রোডাক্ট রিভিউ
    • বায়োগ্রাফি
No Result
View All Result
Bangla Data
No Result
View All Result
Home অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র

১৪টি পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

pore pawa golpo srijonshil question answer

Raihan by Raihan
February 23, 2026
in অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র
Reading Time: 3 mins read
A A
0
ফেসবুকে শেয়ার করুনটুইটারে শেয়ার করুনপিন্টারেস্টে পিন করুন

পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০১ : আরিফ টেক্সি ক্যাব চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। একবার একজন আরোহীকে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে সে বিশ্রাম নিচ্ছিল। সহসা গাড়ির ভেতরে দৃষ্টি পড়তে সে দেখতে পেল একটি মানিব্যাগ সিটের ওপর পড়ে আছে। ব্যাগে অনেকগুলো ডলার। কিন্তু ব্যাগে কোনো ঠিকানা পাওয়া গেল না। সে সন্ধ্যা অবধি অপেক্ষা করল। নিরুপায় হয়ে সে পত্রিকা অফিসে গিয়ে সম্পাদককে একটি বিজ্ঞপ্তি ছাপিয়ে দেবার অনুরোধ জানায় ।

ক. ‘পড়ে পাওয়া’ কী ধরনের রচনা?
খ. ওর মতো কত লোক আসবে’- বিধুর এ কথাটির অর্থ বুঝিয়ে লেখো।
গ. উদ্দীপকের আরিফকে কোন যুক্তিতে বিধুদের সঙ্গে তুলনা করা যায়?- ব্যাখ্যা করো।
ঘ. কলেবরে ক্ষুদ্র হলেও আরিফ চরিত্রটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল সুরকেই ধারণ করে আছে।’- মূল্যায়ন করো

১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. পড়ে পাওয়া একটি কিশোর গল্প

খ. বাক্সটি দাবি করতে আসা একজন নকল মালিককে কেন্দ্র করে বিধু প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছিল।
কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সটি সঠিক মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে ছেলেরা একটি বিজ্ঞপ্তি লিখে নদীর ধারে কয়েকটি গাছে আটকে দেয়। তখন লোভে পড়ে এক লোক মালিক সেজে বাক্সটির মালিকানা দাবি করে। কিন্তু কথকের জেরার মুখে সে ধরা পড়ে যায়। লোকটি চলে যাওয়ার পর বুদ্ধিমান বিধু ঘটনাটি জানতে পেরে বলে, এমন আরও অনেকেই বাক্সের মিথ্যা দাবি নিয়ে আসবে।

গ. নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্দীপকের আরিফকে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের বিধুদের সঙ্গে তুলনা করা যায়।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কুড়িয়ে পাওয়া অর্থসম্পদ নিয়ে কিশোররা লোভের পরিচয় দেয়নি। তারা বয়সের তুলনায় বেশি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। কিশোররা পড়ে পাওয়া বাক্সটি সঠিক মালিককে ফেরত দিতে কাগজে লিখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে প্রাপককে তা ফেরত দিয়েছে ।
উদ্দীপকের আরিফ এবং গল্পের বিধু ও তার বন্ধুরা পড়ে পাওয়া জিনিসের প্রতি লোভ দেখায়নি । সততা ও দায়িত্বশীলতার এ ঘটনার মধ্য দিয়ে তাদের নৈতিকতার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকের আরিফ মানিব্যাগের মালিককে খুঁজে বের করার আন্তরিক চেষ্টা চালায়। তেমনই গল্পের কিশোররাও পড়ে পাওয়া ক্যাশ বাক্সটি প্রকৃত মালিককে হস্তান্তর করতে সক্ষম হয়। ‘পড়ে পাওয়া গঞ্জের কিশোরদের এ বিবেচনাবোধের দিকটি উদ্দীপকের আরিফের নৈতিকতার সঙ্গে তুলনীয় ।

ঘ. উদ্দীপকের আরিফের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তার নির্লোভ মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়, যা ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল সুর।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে আমরা লক্ষ করি, একটি টিনের বাক্স কুড়িয়ে পেয়ে তা সঠিক মালিককে ফেরত দেওয়ার জন্য একদল কিশোর সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করে। এক্ষেত্রে তাদের দায়িত্বশীলতা ও নির্লোভ মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের টেক্সি ক্যাব চালক আরিফ হঠাৎ অন্যের একটি মানিব্যাগ হাতে পায়। তার গাড়িতে একজন আরোহীর ভুল করে রেখে যাওয়া মানিব্যাগটি প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার ইচ্ছায় সে পত্রিকা অফিসে ছুটে যায় ।
একদল গ্রামীণ কিশোরের ঐক্য, দায়িত্ববোধ ও নির্লোভ মানসিকতাই ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূলবক্তব্য। ওই কিশোরদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গল্পে এ বক্তব্যটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, উদ্দীপকটির কলেবর স্বাভাবিকভাবেই গল্পের তুলনায় ক্ষুদ্র। তবে এর মূল সুর গল্পের অনুরূপ আর তা হলো কুড়িয়ে পাওয়া সম্পদ আত্মসাৎ না করে তা যথার্থ মালিকের কাছে পৌছানোটাই ন্যায়সংগত। সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০২: সন্ধ্যায় দেখা গেল, নিজেদের ছাগলের সাথে অতিরিক্ত একটি ছাগলও আথালে ঢুকছে। এশার নামাজ পার হয়ে গেল, কিন্তু কেউ খোঁজ | নিতে এল না। দাদু বললেন, না, না, চুপ করে থাকা ঠিক হবে না। এক কাজ করো, রফিক-শফিক বেরিয়ে পড়ো। প্রতিবেশী নাবিল আর | তালিমকে সাথে নিয়ে দুজন দুদিকে যেও। মসজিদ থেকে চোঙ্গা নিয়ে | গাঁয়ে ঘোষণা দিয়ে আসো। কিছুক্ষণের মধ্যে দু-ভাই দাদুর পরামর্শ | মতো বলতে লাগল, ভাইসব, একটি ছাগল পাওয়া গেছে। যাদের ছাগল তারা দয়া করে মতিন শিকদারের বাড়ি থেকে নিয়ে যান ।

ক. লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন ধরনের লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত?
খ. ‘ দুজনই হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠলাম।’- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. রফিক-শফিকের চোঁঙ্গা ফোঁকার ঘটনাটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকের দাদু যেন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল চেতনারই প্রতিভূ- . বিশ্লেষণ করো।

২ নম্বর পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ক. লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিসর্গের রূপকার হিসেবে সমধিক পরিচিত।

খ. কুড়িয়ে পাওয়া ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স আত্মসাৎ না করে তা প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা মনে জেগে ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে গল্পকথক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে গল্পকথক ও তার বন্ধু বাদল একটি টিনের বাক্স কুড়িয়ে পায়। প্রথমে বালকসুলভ লোভের বশবর্তী হয়ে নিজেরা বাক্সের সবকিছু নিয়ে নিতে চায়। কিন্তু পরক্ষণেই তারা অনুভব করে, এটি অন্যায় কাজ হবে। তারা ভাবে, বাক্সটি হারিয়ে এর মালিক হয়তো কষ্ট পাচ্ছে। তাই তারা বাক্সটি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে চায়। তাদের এই শুভবুদ্ধির উদয় হওয়ার বিষয়টি বর্ণনা করতেই গল্পকথক বলেছে, “দুজনই হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠলাম।’

গ. তা উদ্দীপকের রফিক-শফিকের চোঙ্গা ফোঁকার ঘটনাটি পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের নদীর ধারের গাছে বিজ্ঞপ্তি লাগানোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কুড়িয়ে পাওয়া টিনের ক্যাশ বাক্সের সংবাদ একটা কাগজে লিখে কিশোররা নদীর ধারের গাছে টাঙিয়ে দেয়। উভয় ক্ষেত্রে অন্যের সম্পদ পাওয়ার খবরটি সবাইকে জানানোর মাধ্যমে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করাই ছিল লক্ষ্য।
উদ্দীপকে ছাগল পাওয়ার সংবাদ প্রচারে দাদুর নির্দেশমতো রফিক-শফিক মসজিদের চোঙ্গা নিয়ে গাঁয়ে বেরিয়ে পড়ে। চোঙ্গা ফুঁকে ফুঁকে তারা সবার মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে। ছাগলটির প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। একইভাবে, ‘পড়ে পাওয়া গল্পের কিশোররাও কুড়িয়ে পাওয়া টিনের বাক্সের মালিককে খুঁজে বের করতে নদীর ধারের গাছে পোস্টার লাগায়। সুতরাং উদ্দীপকের ঘটনাটি আলোচ্য গল্পের এই ঘটনার সাথেই সংগতিপূর্ণ।

ঘ. উদ্দীপকের দাদু নৈতিক চেতনা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল চেতনারই প্রতিনিধিত্ব করেছেন
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কিশোররা অন্যের সম্পদের প্রতি লোভ না দেখিয়ে তা ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এ থেকে তাদের নির্লোভ মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। সততার পাশাপাশি তারা দায়িত্বশীলতারও পরিচয় দিয়েছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের চেতনা ও কাজের সঙ্গে উদ্দীপকের দাদু চরিত্রটির তৎপরতা বেশ মিলে যায়। তিনি আথালে ঢোকা অতিরিক্ত ছাগলটি
প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দিতে মনস্থির করেন। রফিক-শফিককে তিনি | উদ্দীপকের দাদুর চরিত্রে। অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ না করে প্রকৃত মালিকের সংবাদটি প্রচারের জন্য বেরিয়ে পড়ার আদেশ দেন। হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে তিনি দ্বিধাহীন। গল্পের কিশোরদের মাঝেও আমাদের সবার উচিত দায়িত্বশীলতা ও সততার আদর্শকে অনুসরণ করে । একই সততা ও কর্তব্যনিষ্ঠার পরিচয় পাওয়া যায়, যা গল্পটির মূল সুর। সে চলা। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের এই শিক্ষাই প্রতিফলিত হতে দেখা যায় বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০৩: করিম ও রহিম দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে গেলেন। কাউন্টারে এক লক্ষ টাকার চেক দিলে ক্যাশিয়ার | সাহেব ভুলে দশ হাজার টাকা বেশি দিলেন। দুই বন্ধু বাসায় এসে দেখলেন দশ হাজার টাকা বেশি। করিম সাহেব বললেন, ‘অতিরিক্ত টাকা = আমরা ফেরত দেবো না। নিজেরা খরচ করব।’ কিন্তু রহিম সাহেব বললেন, ‘বাকি টাকা ফেরত দেবো। কেননা এ অতিরিক্ত টাকার জন্য | ক্যাশিয়ার সাহেবের চাকরি চলে যেতে পারে।’ পরে দুই বন্ধু মিলে টাকাগুলো ফেরত দিলেন

ক. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কে সকলের সংশয় দূর করে দিলো?
খ. অম্বরপুরের কাপালিরা সর্বস্বান্ত হয়েছে কীভাবে?
গ. উদ্দীপকের করিম ও রহিম ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাদের প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো
ঘ. “উদ্দীপকের ক্যাশিয়ার এবং পড়ে পাওয়া গল্পের কাপালি একইসূত্রে গাঁথা।”— বিশ্লেষণ করো”।

৩ নম্বর পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

ক ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে বিধু সকলের সংশয় দূর করে দিলো।

খ. বন্যার তোড়ে সহায়সম্পদ হারিয়ে অম্বরপুর চরের কাপালিরা সর্বস্বান্ত হয়েছে। ভীষণ বন্যার কারণে নদীর স্রোতে অম্বরপুর চরের গাছ, গরু, ঘরবাড়ি সব ভেসে গেছে। পটোল, লাউ, কুমড়োর খেত সব তলিয়ে গেছে। অর্থাৎ বন্যায় অম্বরপুর চরের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি সবকিছু বিনষ্ট হয়েছে। এভাবে ভয়াবহ বন্যায় অম্বরপুরের বাসিন্দা কাপালিরা সর্বস্বান্ত হয়েছে।

গ. উদ্দীপকের করিম ও রহিম ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের গল্পকথক ও তার বন্ধু বাদলের প্রতিনিধিত্ব করে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে গল্পকার গ্রামের কয়েকজন কিশোরের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। ‘এ গল্পের কথক ও তার বন্ধু বাদল কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সটির জিনিসপত্র নিজেরা ভাগ করে নেওয়ার কথা ভাবলেও শেষ পর্যন্ত তা ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
উদ্দীপকের করিম এবং রহিম সাহেব ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে যান। ব্যাংকের ক্যাশিয়ারের ভুলে তাদের হাতে প্রাপ্য টাকার থেকে দশ হাজার টাকা বেশি চলে আসে। প্রথমে করিম সাহেব বাড়তি সেই টাকা নিজেদের কাছে রেখে দেওয়ার কথা ভাবলেও পরমুহূর্তে রহিম সাহেবের পরামর্শ শুনে তা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। একইভাবে আলোচ্য গল্পের কথক এবং বাদল প্রথমে টিনের ক্যাশ বাক্সটি রেখে দেওয়ার কথা চিন্তা করেও শেষ পর্যন্ত তা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সততার পরিচয় দেয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের করিম ও রহিম ‘পড়ে পাওয়া গল্পের কথক ও তার বন্ধু বাদলের প্রতিনিধিত্ব করে।

ঘ. “উদ্দীপকের ক্যাশিয়ার এবং ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাপালি একইসূত্রে গাথা।”- মন্তব্যটি যথার্থ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পটি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের সততার কাহিনিকে কেন্দ্ৰ করে রচিত হয়েছে। এ পরে কাপালি চরিত্রটি গল্পের প্রয়োজনে খুব স্বল্প পরিসরে এসেছে। এই কাপালি সমাজের দরিদ্র শ্রেণির প্রতিনিধি, যে টাকা ও গয়নাসমেত টিনের ক্যাশ বাক্স হারিয়ে এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপদাপন্ন হয়েছে।
উদ্দীপকে ব্যাংকের একজন ক্যাশিয়ারের ভুল সম্পর্কে বলা হয়েছে। সেই ক্যাশিয়ার অসাবধানতাবশত গ্রাহক করিম ও রহিমকে প্রদেয় টাকার চেয়ে দশ হাজার টাকা বেশি দিয়ে দেন। এই ভুলের জন্য তার চাকরি পর্যন্ত চলে যেতে পারত। আলোচ্য গল্পে কাপালি চরিত্রটিও এরকম বাস্তবতার সম্মুখীন হয় ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাপালি টাকা ও গয়না ভরতি ডবল টিনের বাক্সটি হারিয়ে বিপদে পড়ে। সে বন্যায় সর্বস্বান্ত হয়ে গল্পকথকদের বাড়িতে গিয়ে তার বাবার কাছে নিজের কাহিনি বলে। তখন গল্পকথক ও তার বন্ধুদের সততায় বাক্সটি সে ফেরত পায়। একইভাবে উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকের ক্যাশিয়ারও প্রদেয় টাকার থেকে বেশি টাকা করিম ও রহিম সাহেবকে প্রদান করে বিপদে পড়েন। কিন্তু দুই বন্ধুর সততা ও দায়িত্বশীলতার কারণে তিনি সে টাকা ফেরত পান। অর্থাৎ আলোচ্য গল্পের কাপালি এবং উদ্দীপকের ক্যাশিয়ারের বাস্তবতা এবং পরিণতি একরকম। সেদিক বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ ।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০৪: প্রচণ্ড যানজটে আটকাপড়া ট্যাক্সির ভিতর বসে শাহেদা বেগম অস্থিরভাবে এদিক-ওদিক দেখছেন। কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ ওই পথেই যাচ্ছিল। শাহেদা বেগমের অসহায় অবস্থা দেখে তারা এগিয়ে গিয়ে দেখল, মায়ের পাশে প্রচণ্ড জ্বরে প্রায় অচেতন অবস্থায় শুয়ে আছে | তার সন্তান। সঞ্জয় দ্রুত শিশুটিকে কোলে নিয়ে শাহেদা বেগমকে নিয়ে এগোতে থাকে। অন্যদিকে, সাজিদ গাড়ির পাশ কাটিয়ে পথ তৈরি করে। আগে আগে চলতে থাকে। এভাবে তারা দ্রুত অসুস্থ শিশুসহ শাহেদা বেগমকে হাসপাতালে পৌঁছে দেয়।

ক. গ্রামের ভাদুই কুমোর লেখকদের বাড়িতে কেন এসেছিল?
খ. বিধুর কাছে আসা লোকটি বিধুকে শাসিয়েছিল কেন?
গ. উদ্দীপকের শাহেদা বেগম ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সঞ্জয় ও সাজিদ কি গল্পের কিশোর চরিত্রের সার্থক প্রতিরূপ? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

৪ নম্বর পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন

ক. গ্রামের ভাদুই কুমোর লেখকদের বাড়িতে কুয়ো কাটানোর মজুরি চাইতে এসেছিল।

খ.  মিথ্যে বর্ণনা দিয়ে বাক্স না পেয়ে বিধুর কাছে আসা লোকটি ক্ষোভে বিধুকে শাসিয়েছিল।
পড়ে পাওয়া বাক্সটি সঠিক মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে ছেলেরা বিজ্ঞপ্তি লিখে নদীর ধারে বিভিন্ন গাছে আটকে দেয়। তখন লোভে পড়ে একজন লোক বিধুর কাছে এসে বাক্সটি চায়। বিধু লোকটির কাছে বাক্সের বর্ণনা জানতে চাইলে সে সার্বিক বর্ণনা দিতে ব্যর্থ হয়। এ কারণে বিধু লোকটিকে চলে যেতে বলায় সে রেগে গিয়ে তাকে শাসিয়ে চলে যায়।

গ. উদ্দীপকের শাহেদা বেগম ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের অম্বরপুরের নিঃস্ব কাপালি চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কথক ও তার বন্ধু বাদল আম কুড়ানো শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটা টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পায়। বাক্সটি ছিল অম্বরপুরের এক কাপালি পরিবারের। তার বাক্সের মধ্যে ছিল মেয়ের বিয়ের জন্য প্রায় আড়াই শো টাকার গহনা আর পটোল বেচার নগদ পঞ্চাশ টাকা। কাপালিদের এলাকায় বন্যা শুরু হলে তারা গৃহহীন হয়ে দিশাহারা হয়ে পড়ে। একের পর এক বিপদে তার অবস্থা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। কিন্তু গল্পকথক ও তার বন্ধুদের সততা ও কর্মতৎপরতায় কাপালি তার হারিয়ে যাওয়া বাক্সটি ফিরে পায়।
উদ্দীপকে বর্ণিত শাহেদা বেগম তার মুমূর্ষু সন্তানের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে প্রচণ্ড যানযটের কারণে তিনি দিশাহারা হয়ে অস্থিরভাবে এদিক-ওদিক তাকাতে থাকেন। কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ সে পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি লক্ষ করে। তারা বুদ্ধি করে শিশুটিকে কোলে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে যায়। অসহায় শাহেদা বেগম তাদের মানবিক আচরণের কারণে বিপদ থেকে রক্ষা পান। একইভাবে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের বাক্সটি ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে দরিদ্র কাপালি তার সমস্যা থেকে মুক্তি পায়। এভাবে গল্পের কাপালির অসহায় অবস্থা থেকে উদ্ধার পাওয়ার দিকটি উদ্দীপকের শাহেদা বেগমের মাঝেও ফুটে উঠেছে।

ঘ‘ পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের মধ্যে উন্নত মানবিকতাবোধের পরিচয় পাওয়া যায়, যা উদ্দীপকের সপ্তায় ও সাজিদের মধ্যেও লক্ষণীয়।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কথক ও বাদল পথে একটা ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পায়। বাক্সটির ভিতরের সম্পদ প্রথমে তারা নিজেরা রেখে দিতে চায়। পরবর্তী সময়ে নৈতিকতা ও সততা তাদেরকে এই কাজ করতে বাধা দেয়। তাই তারা লোভ সংবরণ করে বন্ধুদের সাহায্য নিয়ে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করে। এর মাধ্যমে গল্পের কিশোররা বয়সের তুলনায় অনেক বেশি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়।
উদ্দীপকের শাহেদা বেগম একজন অসহায় মা। তিনি তার মুমূর্ষু সন্তান নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে প্রচণ্ড যানজটের কারণে তিনি যথাসময়ে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারছিলেন না। বিপদে পড়ে তিনি অস্থিরভাবে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিলেন । এমন সময় কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদের বিষয়টি চোখে পড়ে । তারা বুদ্ধি করে শিশুটিকে কোলে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে যায়। অসহায় শাহেদা বেগম তাদের মানবিকতার কারণে বিপদ থেকে রক্ষা পান। এর মাধ্যমে সঞ্জায় ও সাজিদের নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া যায় ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্প আর উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই চরিত্রগুলোর মধ্যে সততা ও নৈতিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। গল্পের চরিত্ররা কুড়িয়ে পাওয়া সম্পদ চাইলেই নিজেদের কাছে রাখতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি। প্রকৃত মালিককে জিনিস ফিরিয়ে দেওয়ার তাড়না কাজ করেছে তাদের মাঝে। লোভ সংবরণ করে তারা প্রকৃত মালিককে তার সম্পদ ফিরিয়ে দিয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। অন্যদিকে, কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ অন্যদের মতো নিজের কাজে চলে যেতে পারত। কিন্তু তারা তা না করে এক অসহায় মায়ের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে। এটি তাদের মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতারই পরিচায়ক। সেদিক বিবেচনায় কলেজছাত্র সঞ্জয় ও সাজিদ আলোচ্য গল্পের কিশোরদের সার্থক প্রতিরূপ হয়ে উঠেছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০৫:  দৃশ্যকল্প-১: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আসানী রেলস্টেশনের ৪০০ মিটার পূর্ব দিকে ঝিনা রেলগেটে লাইন ভাঙা দেখে দুই শিশু গলায় প্যাচানো লাল মাফলার তুলে ধরে। এটা দেখে চালক ট্রেনটিকে থামিয়ে দেয়।
দৃশ্যকল্প-২: দিনাজপুরের রায়গঞ্জের সুদর্শনপুরের বাসিন্দা শংকরী দেবী চায়ের দোকান চালিয়ে বহুদিনের জমানো টাকায় দুটি সোনার চুড়ি কেনেন। কিন্তু অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে গহনাসমেত ব্যাগটি হারিয়ে যায়। ব্যাগটি কুড়িয়ে পান রিকশাচালক সদানন্দ মণ্ডল। তিনি তার এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ীর মাধ্যমে জেলার চেম্বার অব | কমার্সের সহযোগিতায় তাদেরই অফিসে সেই গহনা শংকরী দেবীকে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

ক. বাক্স ফেরত দেওয়ার কথা মনে আসতেই তাদের মধ্যে কী ধরনের অনুভূতি কাজ করেছিল?
খ. ‘ঠাকুরমশাই, আপনারা মানুষ না দেবতা?’—উক্তিটি কাপালি কেন করেছিল? বর্ণনা করো।
গ. দৃশ্যকল্প-১-এ উল্লিখিত ছেলে দুটির সঙ্গে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের পরিচয় দাও ।
ঘ. “দৃশ্যকল্প-২ ‘পড়ে পাওয়া গল্পের মূল উদ্দেশ্যকেই ধারণ করে। উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. এক বাক্স ফেরত দেওয়ার কথা মনে আসতেই তাদের মধ্যে নৈতিকতার এক অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করেছিল।

খ. পল্পকথক ও তার বন্ধুদের সততায় মুগ্ধ হয়ে কাপালি প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছিল। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে গল্পকথক ও তার বন্ধুদের উন্নত নৈতিক মূল্যবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পেলে তা প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেয়। বাক্সটির মালিক ছিল একজন দরিদ্র কাপালি। সে গল্পকথকের পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় নানা সাহায্য-সহযোগিতা পেয়েছে। তার উপর নিজের হারিয়ে যাওয়া ক্যাশ বাক্স ফিরে পেয়ে কাপালি লোকটি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। তাই আবেগে, কৃতজ্ঞতায় সে বলেছে, ‘ঠাকুরমশাই, আপনারা মানুষ না দেবতা?’

গ. দৃশ্যকল্প-১-এ উল্লিখিত ছেলে দুটির সঙ্গে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের কিছুটা সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে গল্পকথক ও তার বন্ধুদের উন্নত মানবিক বোধের পরিচয় পাওয়া যায়। গল্পজুড়েই তারা দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে। সেখানে গল্পকথক ও তার বন্ধু বাদল একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পেয়েও তা আত্মসাৎ করেনি। তারা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে বাক্সটি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করেছে। বাক্সের মালিকের কষ্টের কথা চিন্তা করে তারা সমব্যথী হয়েছে। গল্পকথক ও তার বন্ধুদের এরূপ মনোভাব তাদের দায়িত্ববোধের দিকটিকেই ফুটিয়ে তোলে ।
উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১-এ দুটি ছেলের দায়িত্ববোধের দৃষ্টান্ত লক্ষ করা যায়। তারা একটি ট্রেনকে নিশ্চিত দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে। তারা রেললাইন ভাঙা দেখে নিজেদের গলায় প্যাচানো লাল মাফলার তুলে ধরেছে ট্রেনের চালককে উদ্দেশ করে। চালক ছেলে দুটির সংকেত বুঝতে পেরে যথাসময়ে ট্রেনটি থামিয়ে দিয়েছে। ছেলে দুটির এরূপ দায়িত্বশীলতা ট্রেনটিকে বড়ো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করেছে। অর্থাৎ উদ্দীপকের ছেলে দুটির দায়িত্বশীল আচরণ ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ।

ঘ. সততা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় প্রদানে দৃশ্যকল্প-২ এবং ‘পড়ে পাওয়া’ গল্প অনুরূপ হওয়ায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে একদল কিশোরের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা প্রকাশ পেয়েছে। গল্পে তারা একটি ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পেয়েও তা আত্মসাৎ না করে প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এর মধ্য দিয়ে তাদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং নৈতিক মূল্যবোধের দিকটিই মূর্ত হয়ে উঠেছে। কিশোরদের মাঝে প্রকাশিত এরূপ মানবীয় গুণাবলির পরিচয় দিতেই গল্পকার ‘পড়ে পাওয়া’ নামে কাহিনির অবতারণা করেছেন ।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এ সদানন্দ মণ্ডলের আচরণের মধ্যে সততা গুণটি ফুটে উঠেছে। তিনি দরিদ্র এবং রিকশা চালিয়ে জীবিকানির্বাহ করেন। কিন্তু তাঁর মধ্যে সততার ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। সেজন্যই গহনাসমেত ব্যাগ কুড়িয়ে পেয়েও তা আত্মসাৎ করেননি। সততা, নিষ্ঠা ও নৈতিক মূল্যবোধে তাড়িত হয়ে তিনি গহনাসমেত ব্যাগটি প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন। সদানন্দ মণ্ডলের এই মানবীয় গুণের দিকটিই উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এর মূল প্রতিপাদ্য।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল উদ্দেশ্য কিশোরদের সততা ও নৈতিকতার দিকটি সবার মাঝে তুলে ধরা। গল্পের কিশোরেরা সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস আত্মসাৎ না করে দায়িত্বশীলতা এবং সততার পরিচয় দিয়েছে। গল্পের এ দিকটি উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ পূর্ণরূপে ধারণ করতে পেরেছে। কেননা সেখানেও সদানন্দ মণ্ডলের আচরণের মধ্য দিয়ে সততা ও দায়িত্বশীলতার দিকটিই প্রধান হয়ে উঠেছে। তাই নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, “উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল উদ্দেশ্যকেই ধারণ করে।”— মন্তব্যটি যথার্থ।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০৬: কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ঝড়বৃষ্টি ও বানের পানিতে একাকার হয়ে জনজীবন বিপন্ন। বানের পানিতে তলিয়ে গেল তাদের বাড়িঘর। বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের অভাব। শিহাব, শাহীন ও শান্ত তিন কিশোর বন্ধু সেখানে ঘুরতে গেল। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ তারা একটি কাপড়ের থলে পেল, যার মধ্যে কিছু টাকা রয়েছে। তারা ভাবল, নিশ্চয়ই কোনো অসহায়ের টাকা হবে। তারা মালিককে খুঁজে পেল না। পরে মাইকিং করে সেগুলো ফেরত দেওয়া হলো।

ক. বাদলদের গুপ্ত মিটিং কোথায় হলো?
খ. ‘অধর্ম করা হবে না।’- কথাটি কেন বলা হয়েছে? বুঝিয়ে দাও ।
গ. উদ্দীপকের প্রথম দিকটি পড়ে পাওয়া’ গল্পের যে ঘটনাকে নির্দেশ করে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের কিশোররা ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদেরই প্রতিনিধি।” মূল্যায়ন করো।

৬ নম্বর পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ক. বাদলদের গুপ্ত মিটিং হলো তাদের ভাঙা নাটমন্দিরের কোণে।

খ. কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সটি প্রকৃত মালিককে ফেরত দেওয়ার তাগিদ থেকে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোররা আম কুড়াতে গিয়ে টাকা ভরতি একটি ডবল টিনের বাক্স কুড়িয়ে পায়। প্রাপ্ত অর্থ প্রথমে তারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়। তবে অধর্মের কাজ হবে ভেবে পরক্ষণেই তা প্রকৃত মালিককে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বাক্সটি মালিককে ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করতে গিয়ে আলোচ্য উক্তিটি করা হয়েছে।

গ. উদ্দীপকের প্রথম দিকটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে বর্ণিত প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের দিকটিকে নির্দেশ করে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে দেখি বন্যায় নদীর স্রোতে বড়ো বড়ো গাছ, গরু, ঘরবাড়ি সব ভেসে গেছে। পটোল, লাউ ইত্যাদি সবজি খেত খড়ের চালার ঘর সব তলিয়ে বা ভেসে গেছে। ফসল থেকে প্রাপ্য অর্থের জোগানও বন্ধ হয়ে গেছে। আর তাই অম্বরপুরের বাসিন্দাদের জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়।
উদ্দীপকেও আমরা দেখি, ঝড়বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জনজীবন বিপর্যস্ত। পানির তোড়ে ঘরবাড়ি ভেসে গেলে অবস্থার চরম অবনতি দেখা দেয় । সর্বত্র বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের অভাব দেখা দিয়েছে। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পেও কালবৈশাখির তাণ্ডব লক্ষ করা যায়। এছাড়াও বন্যায় সম্বলহীন ও নিরাশ্রয় হয়ে যায় অসচ্ছল পরিবারগুলো। অর্থাৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মানুষের মানবেতর জীবনযাপনের দিকটি উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্প উভয় ক্ষেত্রে বর্ণিত হয়েছে। এদিক বিবেচনায় উদ্দীপকের প্রথম দিকটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে বিধৃত প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টিকেই নির্দেশ করে ।

ঘ. সততা ও নৈতিকতার দিক থেকে উদ্দীপকের কিশোরদের কর্মকাণ্ড ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের কর্মকাণ্ডের অনুরূপ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কথক ও তার বন্ধু বাদল একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পায়। অর্থের লোভ না করে তারা অন্য বন্ধুদের সঙ্গে পরামর্শ করে বাক্সটি মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে তারা একসময় প্রকৃত মালিককে বাক্সটি ফিরিয়ে দিতে সমর্থ হয় । উদ্দীপকের শিহাব, শাহীন ও শান্ত নামের তিন কিশোর কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘুরতে গিয়ে থলে ভরতি টাকা কুড়িয়ে পায়। থলেটি পাওয়ার পর তারা আত্মসাৎ না করে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অবশেষে তারা প্রকৃত মালিককে টাকা ফেরত দিতে সফল হয়।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্প ও উদ্দীপক বিশ্লেষণে বলা যায়, উভয় ক্ষেত্রে ঘটনা ভিন্ন হলেও সমধর্মী, চেতনাই প্রকাশ পেয়েছে। অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ না করে মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে দ্বিধাহীন ছিল কিশোররা। এছাড়া তাদের কর্মকাণ্ডে দরিদ্র অসহায় মানুষের প্রতি ভালোবাসা ফুটে উঠেছে। ওই কিশোরদের সততা, নিষ্ঠা ও কর্তব্যবোধের পরিচয় পাওয়া যায় গল্পটিতে। উভয় ক্ষেত্রে কিশোররা ঐক্যবদ্ধ হয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সার্বিক দিক বিবেচনায় তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০৭: একটি বেসরকারি অফিসে অফিস সহায়কের চাকরি করে উজ্জ্বল। সে কক্ষ খুলে দিলে ভোঁরে পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাখাল প্রধান নির্বাহীর | অফিসকক্ষ পরিষ্কার করে। একদিন সে বড়ো কর্তার রুমের বাস্কেটে | দেখতে পায় টাকার বান্ডিল। প্রথমে রাখাল খুশি হলেও সে ভাবে বড়ো কর্তা অসতর্কভাবে হয়তো ভুলে এটা রাখতে পারেন। রাখাল ভেবেচিন্তে | বিষয়টি অফিস সহায়ক উজ্জ্বলকে জানায়। বড়ো কর্তা অফিসে এলে রাখাল ও উজ্জ্বল বিষয়টি তাকে জানায় ।

ক. পত্রপাঠ বিদায় কী?
খ. অধর্ম করা হবে না।’- কেন?
গ. উদ্দীপকে টাকা পাওয়ার ঘটনায় পড়ে পাওয়া’ গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের রাখাল ও উজ্জ্বল যেন পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরবৃন্দ।”— মূল্যায়ন করো।

৭ নম্বর পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ক. পত্রপাঠ বিদায় অর্থ তৎক্ষণাৎ বিদায়।

খ. কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সটি প্রকৃত মালিককে ফেরত দেওয়ার তাগিদ থেকে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোররা আম কুড়াতে গিয়ে টাকা ভরতি একটি ডবল টিনের বাক্স কুড়িয়ে পায়। প্রাপ্ত অর্থ প্রথমে তারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়। তবে অধর্মের কাজ হবে ভেবে পরক্ষণেই তা প্রকৃত মালিককে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বাক্সটি মালিককে ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করতে গিয়ে আলোচ্য উক্তিটি করা হয়েছে।

গ. উদ্দীপকে টাকা পাওয়ার ঘটনাটি পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পাওয়ার দিকটিকে তুলে ধরে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কথক ও তার বন্ধু বাদল একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পায়। অর্থের লোভ না করে তারা অন্য বন্ধুদের সাথে পরামর্শ করে ক্যাশ বাক্সটি প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শেষ পর্যন্ত বাক্সটি তারা প্রকৃত মালিককে ফেরত দিতে সমর্থ হয় ।
উদ্দীপকের অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাখাল অফিস পরিষ্কার করতে গিয়ে টাকার বান্ডিল কুড়িয়ে পায়। টাকা দেখে তার আনন্দ হলেও পরক্ষণেই মনের ভিতর নৈতিকতাবোধ জেগে ওঠে এবং সে বিষয়টি অফিস সহায়ক উজ্জ্বলকে জানায়। অবশেষে রাখাল ও উজ্জ্বল অর্থের লোভ না করে টাকার বান্ডিল সম্পর্কে অফিসের বড়ো কর্তাকে জানিয়ে দেয়। ‘পড়ে পাওয়া” গল্পের কিশোররাও উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে প্রকৃত মালিককে টিনের ক্যাশ বাক্স ফেরত দিয়ে উন্নত নৈতিকতার পরিচয় দিয়েছে। সে বিবেচনায় উদ্দীপকে টাকা পাওয়ার ঘটনাটি গল্পের কিশোরদের ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পাওয়ার দিকটি তুলে ধরে ।

ঘ. উদ্দীপকের রাখাল ও উজ্জ্বলের কর্মকাণ্ডে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের অনুরূপ সততা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া যায় ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের দুই কিশোর ঝড়ের দিনে একটি টিনের ক্যাশ বাক্স খুঁজে পায়। প্রথমে তারা ভাবে এর ভিতরের সবকিছু নিজেরা নিয়ে নেবে। কিন্তু পরক্ষণেই তারা ভাবনার পরিবর্তন করে। লোভ সংবরণ করে বাক্সটি মালিককে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
উদ্দীপকের পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাখাল ভেবেচিন্তে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেয়। সে কাজ করতে গিয়ে অফিসে একটি টাকার বান্ডিল কুড়িয়ে পায়। প্রথমে নিজের জন্য খরচ করবে ভাবলেও পরে বিষয়টি সে অফিস সহায়ক উজ্জ্বলকে জানায়। দুজনের পরামর্শে বিষয়টি তারা বড়ো কর্তাকে অবহিত করে। এক্ষেত্রে উজ্জ্বল একজন সুপরামর্শক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোররা যেমন লোভ সংবরণ করে বাক্সটি ফেরত দেয়, তেমনই উদ্দীপকের রাখাল অনুরূপ সিদ্ধান্ত নেয় এবং বিষয়টি উজ্জ্বলকে জানায়। দুজনে মিলে মালিককে ফেরত দেয় টাকার বান্ডিলটা। এক্ষেত্রে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরবৃন্দ এবং উদ্দীপকের রাখাল ও উজ্জ্বল সুবিবেচকের দায়িত্ব পালন করেছে। এসব দিক বিবেচনা করে বলা যায়, উদ্দীপকের রাখাল’ও উজ্জ্বল যেন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদেরই প্রতিনিধি ।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০৮:  রাকিব সুযোগ পেলেই অন্যের ব্যাগ হাতিয়ে নেয়। তার বাম | হাতটা একটু বেশি চলে । টিফিন, টাকাপয়সা ইত্যাদি তার কাছে কোনো | ব্যাপার নয়। ক্লাসের ছেলেরা এতে অতিষ্ঠ। একদিন তানভির ওকে একা ডেকে নিয়ে বলে, ‘দেখ তোকে আমরা যা চাস তাই দিব, কিন্তু আর | এসব করিস নে। রাকিব পরদিন থেকে নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা করে এবং একদিন সে নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলে অন্যান্য আরও | দশটা ছেলের দলে মিশে যায়। অবশেষে নিজের ভুল বুঝতে পেরে সবার কাছে সে ক্ষমা চায় ।

ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম কত খ্রিষ্টাব্দে?
খ. ‘না, ও উকিলই হবে।’-এর অর্থ বুঝিয়ে লেখো।
গ. উদ্দীপকের রাকিবের সাথে পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূলসুর অবলম্বনেই তানভির রাকিবকে সংশোধন করে।’- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

৮ নম্বর পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দে।

খ. বিধুর মধ্যে ভবিষ্যতের একজন সফল উকিল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনায় গল্পকথক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।
কিশোরদের দলে বিধু ছিল বয়সে সবার বড়ো। পশ্চিম আকাশে ক্ষীণ গুড়গুড় মেঘের আওয়াজ শুনে সে ঝড়ের পূর্বাভাস বলে দিতে পারত। আবার কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সটি সঠিক মালিকের কাছে পৌঁছানোর জন্য সে অসাধারণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। লোকটি যখন বাক্স ফেরত পায় তখন সে বাক্স ফেরত দেওয়ার সময় প্রমাণ হিসেবে লোকটির কাছে একটি রশিদও লিখে নেয়। তার এমন বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার জন্যই লেখক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেন।

গ. উদ্দীপকের রাকিবের সাথে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের বাদল চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে গল্পকার গ্রামের কয়েকজন কিশোরের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। কথক ও তার বন্ধু বাদল বাক্সটি কুড়িয়ে পেলে প্রথমে বাক্সের মূল্যবান জিনিস নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার কথা ভাবে। কিন্তু পরে কথক উপলব্ধি করে যে, বিনা অনুমতিতে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করা অনৈতিক। সে এই বিষয়টি বাদলকে বোঝালে সে-ও নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং বাক্সটির প্রকৃত মালিকের কাছে তা পৌঁছাতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রাকিব সুযোগ পেলেই অন্যের ব্যাগ থেকে টিফিনের টাকাপয়সা নিয়ে নিত, যার ফলে ক্লাসের সবাই তার প্রতি বিরক্ত হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে তানভির তাকে ডেকে বুঝিয়ে বললে রাকিব নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং নিজেকে বদলে ফেলে। অনুরূপভাবে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের বাদলও কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সের মালামাল আত্মসাৎ করতে চাইলে গল্পকথক তাকে তার ভুল বোঝায় এবং বাদলও তা উপলব্ধি করে। তাই বলা যায়, অন্যের জিনিস আত্মসাৎ করার ইচ্ছার দিক থেকে উদ্দীপকের রাকিবের সঙ্গে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের বাদল চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।

ঘ. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূলসুর নৈতিকতা ও সততাকে ধারণ করেই তানভির রাকিবকে সংশোধন করেছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে একদল কিশোরের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা প্রকাশ পেয়েছে। গল্পে তারা একটি গহনা ভরতি ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পেয়েও তা আত্মসাৎ না করে প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এর মধ্য দিয়ে কিশোর বয়সি ছেলেদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং নৈতিক মূল্যবোধের দিকটিই মূর্ত হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকে রাকিব সুযোগ পেলেই অন্যের ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র নিত। টিফিন বা টাকাপয়সা নেওয়া তার কাছে কোনো ব্যাপারই ছিল না, ফলে ক্লাসের সবাই তার প্রতি বিরক্ত হয়ে ওঠে। একদিন তানভির তাকে ডেকে বুঝিয়ে বললে সে নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করে এবং ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে একদিন সম্পূর্ণভাবে অন্য ছেলেদের সঙ্গে মিশে যায় এছাড়াও নিজের ভুল বুঝতে পেরে সে সবার কাছে ক্ষমা চায় ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কিশোরেরা পড়ে পাওয়া অন্যের জিনিস ফিরিয়ে দিতে সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অনুরূপভাবে উদ্দীপকের তানভিরও রাকিবকে সরাসরি তিরস্কার না করে ধৈর্যের সঙ্গে ভুল বুঝিয়ে সংশোধনের পথ দেখায়। তানভিরের এই পদক্ষেপের মধ্যে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের নৈতিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন ঘটেছে। তানভিরের কথায় রাকিবও নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে পরিবর্তন করে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি সঠিক।

সৃজনশীল প্রশ্ন – ০৯: পড়ন্ত বিকালে মাঠে ক্রিকেট খেলছিল একদল ছেলে। হঠাৎ পাশের বাড়ি থেকে কান্নার আওয়াজ ভেসে এলো। কিশোরেরা দৌড়ে গিয়ে জানতে পারল এ বাড়ির কর্তা ভীষণ অসুস্থ। হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন, কিন্তু নেওয়ার মতো কেউ নেই। ছেলেরা তৎক্ষণাৎ পরামর্শ করে ঠিক করে নেয় যে করেই হোক রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেবে তারা। অতি অল্পসময়ে একটা অটোরিকশার ব্যবস্থা করে রোগীকে হাসপাতালে পৌছাতে সক্ষম হয় ছেলের দল ।

ক. বৈশাখ মাসে পশ্চিম দিকে গুড়গুড় মেঘ ডাকার মানে কী?
খ. ‘ওর মতো কত লোক আসবে’- বিধুর এ কথার মানে কী?
গ. কৈশোরের ঐক্যবদ্ধ শুভশক্তি অনেক কঠিন কাজও সম্ভব করতে পারে।’- উদ্দীপক ও ‘পড়ে পাওয়া’ গল্প অবলম্বনে আলোচনা করো।
ঘ. ছেলেরা নিঃচেষ্ট হলে উভয় ক্ষেত্রে ফলাফল ভিন্ন হতে পারত।’— উদ্দীপক ও গল্প অবলম্বনে বিশ্লেষণ করো।

৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. বৈশাখ মাসে পশ্চিম দিকে গুড়গুড় মেঘ ডাকার মানে কালবৈশাখি ঝড়

খ. বাক্সটি দাবি করতে আসা একজন নকল মালিককে কেন্দ্র করে বিধু প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছিল।
কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সটি সঠিক মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে ছেলেরা একটি বিজ্ঞপ্তি লিখে নদীর ধারে কয়েকটি গাছে আটকে দেয়। তখন লোভে পড়ে এক লোক মালিক সেজে বাক্সটির মালিকানা দাবি করে। কিন্তু কথকের জেরার মুখে সে ধরা পড়ে যায়। লোকটি চলে যাওয়ার পর বুদ্ধিমান বিধু ঘটনাটি জানতে পেরে বলে, এমন আরও অনেকেই বাক্সের মিথ্যা দাবি নিয়ে আসবে।

গ. কৈশোরের ঐক্যবদ্ধ শুভশক্তি যে অনেক কঠিন কাজও সম্ভব করতে পারে তা উদ্দীপক এবং ‘পড়ে পাওয়া’ গল্প উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিফলিত হয়েছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরেরা কুড়িয়ে পাওয়া একটি টাকার বাক্স ফেরত দেওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করে। তারা সেই বাক্স সযত্নে রক্ষা করে এবং প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। তাদের এই সম্মিলিত সততা ও প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয় এবং তারা বাক্সের মালিককে খুঁজে বের করে সেটি ফেরত দিতে সক্ষম হয়।
উদ্দীপকে পাশের বাড়ির অসুস্থ কর্তাকে হাসপাতালে নেওয়ার মতো কেউ না থাকায় একদল কিশোর ক্রিকেট খেলার সময় ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি অটোরিকশার ব্যবস্থা করে তাকে হাসপাতালে পৌঁছে দেয়। তাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি জরুরি এবং কঠিন কাজ সফল হয়। একইভাবে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পেও কিশোরদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অসহায় কাপালি তার হারিয়ে যাওয়া বাক্স ফেরত পায়। উভয় ক্ষেত্র বিবেচনা করে দেখা যায়, কিশোরদের মধ্যে যখন ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকে, তখন তারা সমাজের জন্য কল্যাণকর হয়ে ওঠে এবং কঠিন কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে।

ঘ. ছেলেরা নিঃচেষ্ট হলে উভয় ক্ষেত্রে ফলাফল ভিন্ন হতে পারত’- উদ্দীপক এবং ‘পড়ে পাওয়া’ গল্প উভয়ের প্রেক্ষাপটে উক্তিটি বিশ্লেষণ করলে এর সত্যতা প্রমাণিত হয় ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কুড়িয়ে পাওয়া অর্থসম্পদ নিয়ে কিশোররা লোভের পরিচয় দেয়নি বরং তারা বয়সের তুলনায় অধিক দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। কিশোররা পড়ে পাওয়া বাক্সটি প্রকৃত মালিককে ফেরত দিতে কাগজে লিখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ঘটনাক্রমে একসময় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে প্রাপককে তা ফেরত দিয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, পড়ন্ত বিকেলে মাঠে ক্রিকেট খেলছিল একদল ছেলে। হঠাৎ পাশের বাড়ি থেকে কান্নার আওয়াজ শুনে তারা দৌড়ে গিয়ে জানতে পারে বাড়ির কর্তা ভীষণ অসুস্থ। হাসপাতালে নেওয়ার জন্য কেউ না থাকায় ছেলেরা সঙ্গে সঙ্গে পরামর্শ করে সিন্ধান্ত নেয় যে তারা রোগীকে হাসপাতালে পাঠাবে। অল্পসময়ের মধ্যে তারা একটি অটোরিকশার ব্যবস্থা করে এবং রোগীকে নিরাপদে হাসপাতালে পৌঁছে দেয় ৷
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে যদি কিশোরেরা বাক্সটি খুঁজে পাওয়ার পর তা ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ না নিত, তবে হয়তো বাক্সটি তার প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছাত না এবং এর ফলে একজন দরিদ্র কাপালি সহায়সম্বলহীন হয়ে পড়ত। আবার উদ্দীপকে যদি ছেলেরা অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ না নিত, তবে হয়তো তিনি সময়মতো চিকিৎসা পেতেন না এবং তার জীবনহানির আশঙ্কা থাকত। তাদের নিষ্ক্রিয়তা একটি মানবিক সংকটের সৃষ্টি করত ও একইসাথে তাদের অসততার পরিচয় দিত। অতএব বলা যায় যে, কিশোরদের সক্রিয়তা ও দায়িত্বশীলতাই উভয় ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফলাফল এনেছে। তাদের নিঃচেষ্টতা বা উদাসীনতা পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে নিয়ে যেতে পারত। এতে ঘটনা দুটির ফলাফলও ভিন্ন হতো ।

অতিরিক্ত সৃজনশীল প্রশ্ন : পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১। সালাম সুযোগ পেলেই অফিসের স্টেশনারি বা ছোটোখাটো জিনিস নিজের ব্যাগে ভরে নিত। তার হাতটান স্বভাবের কারণে সহকর্মীরা খুব বিরক্ত ছিল। একদিন বড়ো কর্মকর্তা জামিল তাকে আলাদা করে বুঝিয়ে বললেন, ‘তোমার যা প্রয়োজন আমাদের জানাও, আমরা ব্যবস্থা করব, কিন্তু দয়া করে এমনটা আর কোরো না।’ এই কথায় সালাম লজ্জিত হয়ে নিজেকে শুধরানোর প্রতিজ্ঞা করে। সে কর্মনিষ্ঠ হয়ে অন্য সহকর্মীদের সাথে মিশে যায় এবং সবার কাছে নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে।

ক. বৈশাখ মাসে পশ্চিম দিকে গুড়গুড় মেঘ ডাকার মানে কী?
খ. ওর মতো কত লোক আসবে’- বিধুর এ কথার মানে কী?
গ. উদ্দীপকের সালামের সাথে পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূলসুর অবলম্বনেই জামিল রাকিবকে সংশোধন করে।”— মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন ২। ঝড়ো হাওয়ার রাতে গ্রামে একটি কাঁচা ঘর ধসে পড়ল। প্রতিবেশী রবিন চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখল গৃহকর্তা মজিদ মিয়া ধ্বংস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। আবহাওয়া খারাপ থাকায় কেউ সাহস করে বের হচ্ছিল না। রবিন তাৎক্ষণিক পাড়ার আরও কয়েকজনকে ডেকে নিয়ে একটি উদ্ধারকারী দল গঠন করল। তারা কোনোমতে সরঞ্জাম জোগাড় করে মজিদ মিয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়।

ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম কত খ্রিষ্টাব্দে?
খ. না, ও উকিলই হবে।’-এর অর্থ বুঝিয়ে লেখো।
গ. কৈশোরের ঐক্যবদ্ধ শুভশক্তি অনেক কঠিন কাজও সম্ভব করতে পারে।’ উদ্দীপক ও ‘পড়ে পাওয়া’ গল্প অবলম্বনে আলোচনা করো।
ঘ. ছেলেরা নিঃচেষ্ট হলে ফলাফল ভিন্ন হতে পারত।’- উদ্দীপক ও গল্প অবলম্বনে বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন ৩। স্তার ধারে মাঝবয়সি আয়েশা বেগমকে খুব চিন্তিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভার্সিটি পড়ুয়া নীল ও আকাশ এগিয়ে গেল। তারা দেখল আয়েশা বেগমের বৃদ্ধ বাবা গরমে হাঁপিয়ে গিয়ে রাস্তার পাশে অচেতন হয়ে পড়েছেন। নীল তখনই বয়স্ক লোকটিকে আগলে ধরল এবং আকাশ একটি ট্যাক্সি জোগাড় করার জন্য ছোটাছুটি শুরু করল। দ্রুত একটি গাড়ি থামিয়ে তারা বৃদ্ধকে নিয়ে কাছের ক্লিনিকে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে।

ক. বাক্স ফেরত দেওয়ার কথা মনে আসতেই তাদের মধ্যে কী ধরনের অনুভূতি কাজ করেছিল?
খ. ‘ঠাকুরমশাই, আপনারা মানুষ না দেবতা?’—উক্তিটি, কাপালি কেন করেছিল? বর্ণনা করো।
গ. উদ্দীপকের আয়েশা বেগম ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. নীল ও আকাশ কি গল্পের কিশোর চরিত্রের সার্থক প্রতিরূপ? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও ।

প্রশ্ন ৪ : দৃশ্যকল্প-১: বর্ষার দিনে পাহাড়ি রাস্তায় বড়ো একটি পাথর ধসে পড়তে দেখে পাহাড়ের পাদদেশের দুই কিশোর লাল নিশান উড়িয়ে দূর থেকে আসা একটি বাসকে থামিয়ে দেয়। এর ফলে বড়ো একটি দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীরা রক্ষা পায়। দৃশ্যকল্প-২: সেলাই কাজ করে জমানো টাকায় একটি সোনার চেইন কিনেছিলেন সুফিয়া বেগম । কিন্তু বাজার থেকে ফেরার পথে সেটি রাস্তায় পড়ে যায়। চেইনটি খুঁজে পান এক রিকশাচালক। তিনি কোনো লোভ না করে তার গ্যারেজ মালিকের মাধ্যমে এলাকায় মাইকিং করিয়ে সুফিয়া বেগমকে তার শখের গয়নাটি ফেরত দেন।

ক. গ্রামের ভাদুই কুমোর লেখকদের বাড়িতে কেন এসেছিল?
খ. বিধুর কাছে আসা লোকটি বিধুকে শাসিয়েছিল কেন?
গ. দৃশ্যকল্প-১-এ উল্লিখিত ছেলে দুটির সঙ্গে ‘পড়ে পাওয়া” গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের পরিচয় দাও ।
ঘ. “দৃশ্যকল্প-২ ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল উদ্দেশ্যকেই ধারণ করে।” উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন ৫। মান্ত একজন ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করে। একদিন পার্সেল দিয়ে ফেরার পথে সে দেখল রাস্তার এক কোণে একটি দামি স্মার্টফোন পড়ে আছে। ফোনের লক থাকায় সে কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারছিল না। সে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করল যদি মালিক ফোন দেয়। শেষ পর্যন্ত কেউ না আসায় সে ফোনটি নিয়ে থানায় জমা দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে মালিককে সেটি সংগ্রহের অনুরোধ জানায়।

ক. লৈখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন ধরনের লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত?
খ. ‘ দুজনই হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠলাম।’- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের সীমান্তকে কোন যুক্তিতে বিধুদের সঙ্গে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “কলেবরে ক্ষুদ্র হলেও সীমান্ত চরিত্রটি পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূলসুরকেই ধারণ করে আছে।”— মূল্যায়ন করো ।

প্রশ্ন ৫: বিকেলে খেলার মাঠে ছেলেদের বল কুড়াতে গিয়ে দেখা গেল ঝোপের আড়ালে একটি দামি ক্রিকেট কিট ব্যাগ পড়ে আছে। কোচ শফিক সাহেব বললেন, “কারো জিনিসের প্রতি লোভ করা অন্যায়।’ তিনি সজল আর প্রান্তকে দায়িত্ব দিলেন আশেপাশে খোঁজ নিতে। কিছুক্ষণ পর তারা মাইকে ঘোষণা দিতে শুরু করল যে, একটি ব্যাগ পাওয়া গেছে এবং সঠিক প্রমাণ দিয়ে যেন সেটি মাঠের অফিস কক্ষ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

ক. ‘পড়ে পাওয়া’ কী ধরনের রচনা?
খ. ওর মতো কত লোক আসবে’ – বিধুর এ কথাটির অর্থ বুঝিয়ে লেখো।
গ. সজল-প্রান্তের মাইকে ঘোষণা দেওয়ার ঘটনাটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. “উদ্দীপকের কোচ যেন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল চেতনারই প্রতিভূ। বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন ৭। আদনান ও ফাহিম দুই ব্যাবসায়িক অংশীদার। পণ্য কেনার সময় পাইকারি বিক্রেতা ভুলবশত তাদের বিল থেকে কুড়ি হাজার টাকা কম হিসাব করলেন। বাসায় ফেরার পর হিসাবে গরমিল দেখে তারা বুঝতে পারল যে তারা টাকা বেশি ফেরত পেয়েছে। আদনান চাইল টাকাটা ভাগ করে নিতে কিন্তু ফাহিম রাজি হলো না। সে বুঝাল যে এই সামান্য টাকার জন্য ওই বিক্রেতার লোকসান হবে এবং তার চাকরিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। পরে দুজন গিয়ে অতিরিক্ত টাকাটা ফেরত দিয়ে আসে। ।

ক. বাদলদের গুপ্ত মিটিং কোথায় হলো?
খ. অধর্ম করা হবে না।’- কথাটি কেন বলা হয়েছে? বুঝিয়ে দাও।
গ. উদ্দীপকের আদনান ও ফাহিম ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাদের প্রতিনিধিত্ব, করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের পাইকারি বিক্রেতা এবং ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাপালি একইসূত্রে গাঁথা”— বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন ৮ সিলেটের বন্যায় চারদিকে হাহাকার। পানিবন্দি মানুষের সাহায্য করতে গেছে তিন বন্ধু আবির, তুর্য ও দ্বীপ। উদ্ধারকাজের সময় তারা ভেসে আসা একটি ছোটো বাক্স পায়, যাতে অনেক গয়না ও কিছু নগদ টাকা ছিল। তারা বুঝল কোনো পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে। মালিককে খুঁজে না পেয়ে তারা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে সেটি জমা দেয় এবং মাইকিং করে প্রকৃত মালিকের হাতে তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।

ক. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কে সকলের সংশয় দূর করে দিলো?
খ… অম্বরপুরের কাপালিরা সর্বস্বান্ত হয়েছে কীভাবে?
গ. উদ্দীপকের প্রথম দিকটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের যে ঘটনাকে নির্দেশ করে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের কিশোররা ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদেরই প্রতিনিধি । মূল্যায়ন করো।

Previous Post

অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

Raihan

Raihan

আমাদের টার্গেট হল ইন্টারনেটকে শেখার জায়গা বানানো। আমরা বিশ্বাস করি যে জ্ঞান শুধুমাত্র শেয়ার করার জন্য তাই কেউ যদি প্রযুক্তি এবং স্টাডি সম্পর্কে কিছু জানে এবং শেয়ার করতে চায় তাহলে বাংলা ডাটা পরিবার তাকে সর্বদা স্বাগত জানানো হবে।

Related Posts

অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র

অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

February 23, 2026
Please login to join discussion

Categories

  • অনার্স
  • অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র
  • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
  • পড়াশোনা
  • ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র
  • ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ
  • সপ্তম শ্রেনি বাংলা ১ম পত্র
  • সপ্তম শ্রেনি বাংলা ২য় পত্র

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

Copyright © 2026 Design by Bangla Data

  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • একাডেমিক
    • তৃতীয় শ্রেণি
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
    • অষ্টম শ্রেণি
    • নবম-দশম শ্রেণি
    • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
    • ডিগ্রি
    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • ইঞ্জিনিয়ারিং
    • মেডিকেল
    • ভর্তি ও পরীক্ষা
  • এসএসসি-২০২৬ শর্ট সাজেশন
  • এইচএসসি-২০২৬ সাজেশন
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • স্কিল ডেভেলপমেন্ট
  • ক্যারিয়ার
  • স্কলারশিপ
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্যপাতা
    • ডাউনলোড
    • চাকরী-বাকরী
    • ইংরেজী শিখুন
    • ফ্রিল্যান্সিং
    • সাধারণ জ্ঞান
    • গুগল এ্যাডসেন্স
    • ব্যাংকিং
    • নাগরিক সেবা
    • টিপস এন্ড ট্রিক্স
    • গেস্ট ব্লগিং
    • জমিজমা
    • ধর্মকথা
    • প্রবাস জীবন
    • ইচ্ছেঘুড়ি
    • প্রোডাক্ট রিভিউ
    • বায়োগ্রাফি

© 2026 Bangla Data -Share Your Knowledge.