• About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
Thursday, February 26, 2026
Bangla Data
  • Login
  • Register
  • একাডেমিক
    • তৃতীয় শ্রেণি
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
    • অষ্টম শ্রেণি
    • নবম-দশম শ্রেণি
    • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
    • ডিগ্রি
    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • ইঞ্জিনিয়ারিং
    • মেডিকেল
    • ভর্তি ও পরীক্ষা
  • এসএসসি-২০২৬ শর্ট সাজেশন
  • এইচএসসি-২০২৬ সাজেশন
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • স্কিল ডেভেলপমেন্ট
  • ক্যারিয়ার
  • স্কলারশিপ
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্যপাতা
    • ডাউনলোড
    • চাকরী-বাকরী
    • ইংরেজী শিখুন
    • ফ্রিল্যান্সিং
    • সাধারণ জ্ঞান
    • গুগল এ্যাডসেন্স
    • ব্যাংকিং
    • নাগরিক সেবা
    • টিপস এন্ড ট্রিক্স
    • গেস্ট ব্লগিং
    • জমিজমা
    • ধর্মকথা
    • প্রবাস জীবন
    • ইচ্ছেঘুড়ি
    • প্রোডাক্ট রিভিউ
    • বায়োগ্রাফি
No Result
View All Result
  • একাডেমিক
    • তৃতীয় শ্রেণি
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
    • অষ্টম শ্রেণি
    • নবম-দশম শ্রেণি
    • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
    • ডিগ্রি
    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • ইঞ্জিনিয়ারিং
    • মেডিকেল
    • ভর্তি ও পরীক্ষা
  • এসএসসি-২০২৬ শর্ট সাজেশন
  • এইচএসসি-২০২৬ সাজেশন
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • স্কিল ডেভেলপমেন্ট
  • ক্যারিয়ার
  • স্কলারশিপ
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্যপাতা
    • ডাউনলোড
    • চাকরী-বাকরী
    • ইংরেজী শিখুন
    • ফ্রিল্যান্সিং
    • সাধারণ জ্ঞান
    • গুগল এ্যাডসেন্স
    • ব্যাংকিং
    • নাগরিক সেবা
    • টিপস এন্ড ট্রিক্স
    • গেস্ট ব্লগিং
    • জমিজমা
    • ধর্মকথা
    • প্রবাস জীবন
    • ইচ্ছেঘুড়ি
    • প্রোডাক্ট রিভিউ
    • বায়োগ্রাফি
No Result
View All Result
Bangla Data
No Result
View All Result
Home অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র

অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

৮ম শ্রেণির বাংলা ১ম পত্র অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর - otithir sriti golpo srijonshil question answer

Raihan by Raihan
February 23, 2026
in অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র
Reading Time: 4 mins read
A A
0
ফেসবুকে শেয়ার করুনটুইটারে শেয়ার করুনপিন্টারেস্টে পিন করুন

অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন। ১ দরিদ্র বর্গাচাষি গফুরের অতি আদরের একমাত্র ষাঁড় মহেশ। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে ওকে ঠিকমতো খড়-বিচুলি খেতে দিতে পারে না। জমিদারের কাছে সামান্য খড় ধার চেয়েও পায় না। নিজে না খেয়ে | থাকলেও গফুরের দুঃখ নেই। কিন্তু মহেশকে খাবার দিতে না পেরে তার বুক ফেটে যায়। সে মহেশের গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলে- মহেশ, তুই আমার ছেলে। তুই আমাদের আট সন প্রতিপালন করে বুড়ো হয়েছিস। তোকে আমি পেট পুরে খেতে দিতে পারি নে, কিন্তু তুই তো জানিস আমি তোকে কত ভালোবাসি। মহেশ প্রত্যুত্তরে গলা বাড়িয়ে আরামে চোখ বুজে থাকে।

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেওঘরে যাওয়ার কারণ কী?
খ. অতিথি কিছুতে ভেতরে ঢোকার ভরসা পেল না কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে মহেশের প্রতি গফুরের আচরণে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের গফুরের সাথে লেখকের চেতনাগত মিল থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন’— ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো ।

১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেওঘরে যাওয়ার কারণ বায়ু পরিবর্তন ।

খ. অচেনা পরিবেশে ভয় ও সংকোচ থেকে অতিথি ভেতরে ঢোকার ভরসা পেল না। অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক চিকিৎসকের পরামর্শে কিছুদিনের জন্য দেওঘরে গিয়েছিলেন। সেখানে পথ চলতে গিয়ে একটি কুকুরের সঙ্গে লেখকের সখ্য গড়ে ওঠে। লেখক তাকে অতিথি সম্বোধন করে বাড়ির ভেতরে ডাকলে কুকুরটি ভেতরে ঢুকতে সাহস পায় না। মূলত, “অচেনা পরিবেশে ভয় ও সংকোচ থেকেই অতিথি ভেতরে ঢোকার সাহস পায় না ।

গ. উদ্দীপকে মহেশের প্রতি গফুরের আচরণে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে প্রকাশিত অবলা প্রাণীর প্রতি লেখকের অকৃত্রিম ভালোবাসার দিকটি প্রকাশ
পেয়েছে।
মানুষ কখনো কখনো ইতরপ্রাণীর সঙ্গেও স্নেহ-প্রীতির সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে । নানা বাধার মুখেও সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চায় । মানবমনের এই অনুভূতির প্রকাশ দেখা যায়, ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কুকুরটির প্রতি লেখকের আচরণে।
উদ্দীপকের বর্ণনায় প্রিয় ষাঁড় মহেশের প্রতি গফুরের অকৃত্রিম ভালোবাসার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকের গফুর ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের মতোই তার পোষা প্রাণীটির প্রতি গভীর মমতা প্রকাশ করেছে। আদরের ষাঁড় মহেশকে সে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসে। মহেশের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে।

কারণ প্রিয় প্রাণীটিকে গফুর পেট পুরে খেতেও দিতে পারে না, যা তাকে সবসময় কষ্ট দেয়। একইভাবে আলোচ্য গল্পের কথকও একটি পথের কুকুরের সঙ্গে মমত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ হন। সে বিবেচনায় উদ্দীপকটিতে মহেশের প্রতি গফুরের আচরণে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে ফুটে ওঠা প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধের দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে।

ঘ. প্রাণীর প্রতি গভীর মমতা প্রকাশের দিক দিয়ে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের সঙ্গে গফুরের চেতনাগত সাদৃশ্য থাকলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন ।
‘অতিথির স্মৃতি” গল্পে একটি পথের কুকুরের সঙ্গে লেখকের স্নেহ-মমত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কুকুরটির প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে লেখক তাকে বরণ করে নেন অতিথির মর্যাদায়। অবলা প্রাণীর প্রতি লেখকের এই মমত্ববোধের দিকটি আলোচ্য গল্পের মূল বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।

উদ্দীপকের দরিদ্র বর্গাচাষি গফুর ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের মতো তার পোষা প্রাণীটির প্রতি গভীর মমতা অনুভব করে। আট বছর ধরে যে ষাঁড়টি তাকে প্রতিপালন করে বুড়ো হয়েছে তাকে ঠিকমতো খেতে দিতে না পারার দুঃখে জল আসে তার চোখে।

শুধু মানুষে মানুষে নয়, অন্য জীবের সঙ্গেও মানুষের স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। পরিবেশ ও ঘটনা আলাদা হলেও এ সম্পর্কের মূলে রয়েছে অকৃত্রিম ভালোবাসার টান। এদিক বিচারে গল্পের লেখক ও উদ্দীপকের কৃষকের চেতনাগত মিল স্পষ্ট। তবে তাদের এমন আচরণের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। এক্ষেত্রে অপরিচিত পরিবেশে একটি কুকুরের প্রতি লেখকের সাময়িক ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। অন্যদিকে, উদ্দীপকের . চাষি গফুরের প্রিয় পোষা ষাঁড়টির প্রতি ভালোবাসা, মমতার শিকড় অনেক গভীর। সেদিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

প্রশ্ন ২

লালমনিরহাটের যুবায়ের প্রায় ১০ বছর ধরে তার পোষা হাতি | কালাপাহাড়কে দিয়ে লাকড়ি টানা, চাষ করা, সার্কাস দেখানো ইত্যাদি | কাজ করিয়ে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে দারিদ্র্যের কারণে হাতির খোরাক জোগাড় করতে না পেরে একদিন সে কালাপাহাড়কে বিক্রি করে দিল। ক্রেতা কালাপাহাড়কে নিতে এসে ওর পায়ে বাঁধা রশি ধরে হাজার টানাটানি করে একচুলও নাড়াতে পারল না । কালাপাহাড়ের দুচোখ বেয়ে শুধু টপটপ | করে জল গড়িয়ে পড়ছে। পরদিন খদ্দের আরও বেশি লোকজন নিয়ে আসে কালাপাহাড়কে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু ভোরবেলা যুবায়ের | দেখে কালাপাহাড় মরে পড়ে আছে। হাউমাউ করে সে চিৎকার করে আর বলে— ‘ওরে আমার কালাপাহাড়, অভিমান করে তুই চলে গেলি।’

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন পদক লাভ করেন?
খ. লেখক দেওঘর থেকে বিদায় নিতে নানা অজুহাতে দিন দুই দেরি করলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. কালাপাহাড়ের আচরণ এবং ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের অতিথির আচরণ কীভাবে ভিন্ন? বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের যুবায়েরের অনুভূতি আর ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের অনুভূতি একই ধারায় উৎসারিত”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো ।

২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ লাভ করেন।

খ. অতিথির প্রতি মমতার টান কাটাতে না পেরে লেখক দেওঘর থেকে বিদায় নিতে দিন দুই দেরি করেন। চিকিৎসকের পরামর্শে বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে গিয়ে লেখক একটি কুকুরকে সঙ্গী হিসেবে পান। ধীরে ধীরে কুকুরটির সঙ্গে তাঁর মমত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়। এ কারণে চলে আসার সময় হলেও লেখক কুকুরটিকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ভেবে ব্যথিত হন। এজন্যই দেওঘর থেকে বিদায় নিতে নানা অজুহাতে লেখক দিন দুই দেরি করেন ।

গ. ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশে কালাপাহাড় ও গল্পের অতিথির মধ্যে সাদৃশ্য থাকলেও আচরণগত দিক দিয়ে তাদের মধ্যে পার্থক্য লক্ষ করা যায়। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে লেখক দেওঘরে গিয়ে একটি কুকুরের সঙ্গ লাভ করেন। তিনি কুকুরটিকে স্নেহভালোবাসা দিয়ে কাছে টেনে নেন। কুকুরটিও তাঁর ভালোবাসা পেয়ে বশ্যতা স্বীকার করে।

বাড়িতে এসে তাঁর খোঁজ করা, পথের ধারে তাঁর জন্য অপেক্ষা করা কুকুরটির নিত্যদিনের কাজে পরিণত হয়। লেখকের বিদায় নেওয়ার সময়ও অতিথি স্টেশন পর্যন্ত চলে আসে। উদ্দীপকের যুবায়েরের সঙ্গে তার পোষা হাতি কালাপাহাড়ের সম্পর্ক প্রায় দশ বছরের। সংগত কারণেই তাদের মধ্যকার সম্পর্কে গভীরতা আরও বেশি। এরই প্রকাশ লক্ষ করা যায় কালাপাহাড়ের মধ্যে। এ কারণে কালাপাহাড়কে বিক্রি করে দিলে সে খুব কষ্ট পায় এবং তার বহিঃপ্রকাশও ভিন্নভাবে প্রকাশ পায়।

‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের অতিথি কষ্ট পেলেও সে তেমন কিছুই করতে পারেনি। কিন্তু কালাপাহাড় ভীষণভাবে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। সে কোনোভাবেই বাড়ি ছাড়তে চায়নি। অবশেষে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সে চূড়ান্ত ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছে, যা অতিথির আচরণের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন । অর্থাৎ, ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের অতিথি ও উদ্দীপকের কালাপাহাড় তাদের মনিবের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করলেও তাদের ভালোবাসা প্রকাশের ধরন ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ঘ. অসহায় প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার দিক থেকে উদ্দীপকের যুবায়ের এবং ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের অনুভূতি একই ধারায় প্রবাহিত হয়েছে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে একটি ইতরপ্রাণীর সঙ্গে একজন অসুস্থ মানুষের কয়েকদিনের পরিচয়ের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা মমত্বের সম্পর্কের দিকটি উঠে এসেছে। লেখক দেখিয়েছেন, মানুষ-মানুষে যেমন স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক অন্য প্রাণীর সঙ্গেও মানুষের তেমন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।

উদ্দীপকের কালাপাহাড়ের মৃত্যুতে যুবায়ের অশেষ মনোযাতনায় ভোগে। দশ বছর ধরে পোষা হাতিটির মৃত্যুতে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। একইভাবে গল্পের লেখকও কুকুরটিকে ছেড়ে বাড়ি যাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। পোষা প্রাণীকে হারিয়ে, মানুষ কষ্ট পায়, শোকে কাতর হয়। নিরীহ প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা এবং তাকে হারানোর কষ্টের দিক থেকে আলোচ্য গল্পের লেখক ও উদ্দীপকের যুবায়েরের অনুভূতি অভিন্ন। এক্ষেত্রে দশ বছরের পালিত কালাপাহাড়কে হারিয়ে যুবায়ের যেমন শোকে কাতর হয়েছে, তেমনই গল্পের লেখকও কুকুরটিকে ছেড়ে ফিরে যাওয়ার সময় ব্যথিত হয়েছেন । এদিক থেকে তাঁদের অনুভূতি একই ধারায় উৎসারিত।

প্রশ্ন ৩

বাদল সাহেব ডায়াবেটিস রোগী। ডাক্তারের পরামর্শে প্রতিদিন বিকেলে হাঁটতে বের হন। হাঁটতে গিয়ে দেখেন তার মতো অনেকেই হাঁটতে বের হয়েছে। যারা হাঁটতে বের হয়েছে তাদের অনেকেই স্থূলকায়। একটু হাঁটলেই হাঁপিয়ে যায়। তারপরও তাদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা। হঠাৎ বাদল সাহেব দেখতে পান রাস্তার পাশে একটি বিড়ালছানা অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি বিড়ালছানাটিকে বাসায় নিয়ে যান এবং পরম যত্নে তাকে সুস্থ করে তোলেন।.

ক. কী দেখে লেখকের সত্যিকার ভাবনা ঘুচে গেল?
খ. আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন’ বলতে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত লোকদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বাদল সাহেবের প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের মমত্ববোধের পূর্ণাঙ্গ রূপ ফুটে উঠেছে কি? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. বেনে বৌ পাখি দুটিকে ফিরে আসতে দেখে লেখকের সত্যিকারের ভাবনা ঘুচে গেল

খ.‘আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন’ বলতে বাড়িতে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অতিথির দীর্ঘ সময় অবস্থান করাকে বোঝানো হয়েছে। কুকুরটির সঙ্গে লেখকের সখ্য হওয়ার পরের দিন কুকুরটি লেখকের নিমন্ত্রণ রক্ষা করে । নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে এসে সে অধিক সময় ওই বাড়িতে অবস্থান করে। বাড়িতে অতিথির এরূপ দীর্ঘ সময় অবস্থান মূলত আতিথ্যের লঙ্ঘন। সাধারণ বিচারে কুকুরটি এ মর্যাদা লঙ্ঘন করেছে। তাই বলা যায়, ‘আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন’ বলতে লেখকের বাড়িতে কুকুরটির এই দীর্ঘ সময় অবস্থান করাকেই বোঝানো হয়েছে।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত লোকদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে, লেখকের রোগমুক্তি ও বায়ু পরিবর্তনের দিকটিকে নির্দেশ করে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক চিকিৎসকের আদেশে বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে যান। সেখানে তিনি বিকেল বেলা পথের ধারে বসে অনেক রকম মানুষ দেখেন, যারা সুস্থ থাকার জন্য হাঁটতে বের হন। এর মধ্যে ‘বেরিবেরি রোগে পা ফোলা রোগীও ছিল।

উদ্দীপকের বাদল সাহেব ডায়াবেটিস রোগের কারণে ডাক্তারের পরামর্শে বিকেলে হাঁটতে বের হন। তিনি দেখেন তার মতো অনেকেই হাঁটতে বের হয়েছে। স্থূলাকায় মানুষ যারা আছে, তারা হাঁপিয়ে গেলেও হাঁটা থামায় না। বাদল সাহেব বুঝতে পারেন, ওরাও সুস্থ থাকার জন্যই হাঁটছে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকও সুস্থ হওয়ার জন্য বায়ু পরিবর্তন করতে দেওঘরে যান। তিনি সেখানকার মানুষদের হাঁটার মধ্যে সুস্থ থাকার প্রবণতা বুঝতে পারেন। আর এই রোগমুক্তির জন্য মানুষের প্রাণপণ হাঁটার দিকটিই। উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পকে সাদৃশ্যপূর্ণ করেছে।

ঘ. উদ্দীপকে বাদল সাহেবের প্রাণীর প্রতি যে মমত্ববোধ সেখানে অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের মমত্ববোধের তেমন পূর্ণাঙ্গ রূপ ফুটে ওঠেনি । ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক দেওঘরে বায়ু পরিবর্তন করতে আসেন। সেখানে তিনি একদিন হাঁটতে বেরোলে সঙ্গী হিসেবে একটি কুকুরকে পান । কুকুরটিকে তিনি তাঁর বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসেন। বাড়ির চাকরকে তার খাবারের দায়িত্ব দেন।

উদ্দীপকের বাদল সাহেব ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ায় প্রতিদিন হাঁটতে বের হন। একদিন হাঁটতে গিয়ে তিনি রাস্তার পাশে একটা অসুস্থ বিড়ালছানা দেখতে পান। বিড়ালছানাটিকে তিনি বাড়িতে এনে যত্ন করে সুস্থ করে তোলেন। এতে প্রাণীর প্রতি বাদল সাহেবের মমত্ববোধের পরিচয় পাওয়া যায়। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক ও উদ্দীপকের বাদল সাহেব দুজনের মধ্যেই পশু-পাখির প্রতি মমত্ববোধের দিকটি পরিলক্ষিত হয়।

কিন্তু আলোচ্য গল্পের লেখক দেওঘরে যে কুকুরটিকে অতিথি হিসেবে গ্রহণ করেন তার দায়িত্ব কাজের লোকদের উপর দিয়ে দেন। আবা তিনি ফিরে আসার সময়ও কুকুরটিকে নিয়ে যেতে পারেননি সঙ্গে করে। কিন্তু উদ্দীপকের বাদল সাহেব কুড়িয়ে পাওয়া বিড়ালছানাটিকে বাসায় নিয়ে এসে নিজ দায়িত্বে সুস্থ করে তোলেন। তার প্রতি যত্ন নেন। মমত্ববোধের দিকটিতে মিল থাকলেও মমতার প্রকাশ ও পরিণতিতে দুজনের পূর্ণাঙ্গ রূপ একইভাবে ফুটে ওঠেনি।

প্রশ্ন ৪

রোহানের পাখি পোষার শখ। সে কবুতর পোষে। বলতে গেলে কবুতর পোষা তার রীতিমতো নেশায় পরিণত হয়েছে। একবার এক আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে একটি কবুতরকে তার খুব পছন্দ হয় রোহান আবদার করে সেটিকে বাড়িতে নিয়ে আসে। নাম দেয় রাজা। রাজাকে নিয়ে আনন্দে দিন কাটে রোহানের। কিন্তু একদিন রাজা বাইরে উড়ে গিয়ে আর ফিরে আসে না। পরে জানা যায় শিয়ালের কবলে পড়ে প্রাণ দিয়েছে রাজা।

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে রেঙ্গুন যাত্রা করেন ?
খ. অতিথি কিছুতেই ভেতরে ঢোকার সাহস পেল না কেন?
গ. উদ্দীপকের রাজা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে কার প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের কমলের অনুভূতি আর ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথকের অনুভূতি একই ধারায় উৎসারিত।”– মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই করো।

৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯০৩ সালে রেঙ্গুন যাত্রা করেন ।

খ. অচেনা পরিবেশে ভয় ও সংকোচ থেকে অতিথি ভেতরে ঢোকার ভরসা পেল না। অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক চিকিৎসকের পরামর্শে কিছুদিনের জন্য দেওঘরে গিয়েছিলেন। সেখানে পথ চলতে গিয়ে একটি কুকুরের সঙ্গে লেখকের সখ্য গড়ে ওঠে। লেখক তাকে অতিথি সম্বোধন করে বাড়ির ভেতরে ডাকলে কুকুরটি ভেতরে ঢুকতে সাহস পায় না। মূলত, “অচেনা পরিবেশে ভয় ও সংকোচ থেকেই অতিথি ভেতরে ঢোকার সাহস পায় না ।

গ. উদ্দীপকের রাজা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের অতিথি কুকুরটির প্রতিনিধিত্ব করে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে একটি মানবেতর প্রাণীর সঙ্গে গল্পকথকের মমত্বের সম্পর্ক ফুটে উঠেছে। এক সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার সময় পথের একটি কুকুরের সঙ্গে গল্পকথকের দেখা হয়। কুকুরটিকে তিনি বরণ করে নেন। অতিথির মর্যাদায়। কুকুরটিও গল্পকথকের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে তার স্নেহের প্রতিদান দেয়।

উদ্দীপকের কমল একজন পাখিপ্রেমী। তাই আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে আবদার করে সেখান থেকে একটি কবুতর সঙ্গে করে নিয়ে আসে। সে ভালোবেসে কবুতরটির নাম দেয় রাজা। ধীরে ধীরে রাজার সঙ্গে কমলের সখ্য গড়ে ওঠে। তার সঙ্গে কমলের আনন্দময় দিন কাটে। একইভাবে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে একটি পথের কুকুরের সঙ্গে গল্পকথকের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে, যা উদ্দীপকের কমলের সঙ্গে তার পোষা কবুতর রাজার সম্পর্ককে নির্দেশ করে। সে বিবেচনায়, উদ্দীপকের রাজা আলোচ্য গল্পের অতিথি কুকুরটির প্রতিনিধিত্ব করে।

ঘ. মানবেতর প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের দিক থেকে উদ্দীপকের কমলের সাথে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথকের অনুভূতির সাদৃশ্য রয়েছে । ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে গল্পকথক একটি পথের কুকুরকে বরণ করে নেন অতিথির মর্যাদায় । কুকুরটিও নানাভাবে কথকের সে ভালোবাসার প্রতিদান দেয়। তাদের এই সম্পর্কের মূলভিত্তি মানবেতর প্রাণীর প্রতি কথকের মমত্ববোধ ও ভালোবাসা ।

উদ্দীপকে কমল পাখিদের ভালোবাসে। এ কারণে সে বেশকিছু কবুতর পোয়ে । শুধু তাই নয়, আত্মীয়বাড়ি বেড়াতে গিয়েও সেখান থেকে একটি কবুতরকে সে সঙ্গে করে নিয়ে আসে। ভালোবেসে সে এই কবুতরটির নাম দেয় রাজা। এরপর থেকে রাজার সঙ্গে তার আনন্দময় দিন কাটতে থাকে। বস্তুত, রাজার প্রতি তার গভীর ভালোবাসাই এমন সম্পর্ক তৈরি হওয়ার কারণ। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পটি আবর্তিত হয়েছে একটি পথের কুকুরের সঙ্গে গল্পকথকের সম্পর্ককে ঘিরে।

অল্প দিনের পরিচয়েই গল্পকথক কুকুরটিকে আপন করে নেন। কুকুরটিও আনুগত্য প্রকাশ করে গল্পকথনের স্নেহভালোবাসার প্রতিদান দেয়। একইভাবে উদ্দীপকের কমন্সও পাখিদের ভালোবাসে। সে ভালোবাসা থেকেই রাজা নামের কবুতরটিকে কমল আপন করে নেয় । অর্থাৎ আলোচ্য গল্প এবং উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই মানবেতর প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধ ও ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে। সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ ।

প্রশ্ন ৫

সুভার যে গুটিকতক অন্তরঙ্গ বন্ধুর দল ছিল না তাহা নহে। গোয়ালের দুটি গাভী (গাভি), তাহাদের নাম সর্বশী ও পাঙ্গুলি। সে নাম বালিকার মুখে তাহারা কখনো শুনে নাই। কিন্তু তাহার পদশব্দ তাহারা | চিনিত-তাহার কথাহীন একটা করুণ সুর ছিল। সুভা কখন তাহাদের আদর করিতেছে, কখন ভর্ৎসনা করিতেছে, কখন মিনতি করিতেছে, তাহা | তাহারা মানুষের অপেক্ষা ভালো বুঝিতে পারিত। বালিকা দিনের মধ্যে তিনবার করিয়া নিয়মিত গোয়ালঘরে যাইত।

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘শেষ প্রশ্ন’ কোন ধরনের রচনা?

খ. বুঝতাম এরা বেরিবেরির আসামি।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে সর্বশী ও পাঙ্গুলির প্রতি সুভার আচরণে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো

ঘ. ‘বোবা প্রাণীরাও মানুষের মনের অনুভূতি বুঝতে পারে। – উদ্দীপক ও ‘অতিথির স্মৃতি’ গঞ্জের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘শেষ প্রশ্ন’ একটি উপন্যাস।

খ. বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত মেয়েদের বর্ণনা দিতে গিয়ে লেখক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন। দেওঘরে গিয়ে অসুস্থ লেখক প্রায়ই বিকালে গেটের বাইরে পথের ধারে “বসে সময় কাটাতেন। এসময় পথ দিয়ে পা ফোলা অল্পবয়সি একদল মেয়ে যেত। তাদের ফোলা পা দেখে লেখক বুঝতেন যে, তারা বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত। কৌতূহলী লোকচক্ষু থেকে নিজেদের বিকৃতিটা আড়াল করার জন্য তারা বিভিন্ন উপায়ে ফোলা পা ঢেকে রাখার চেষ্টা করত। মেয়েদের এই পায়ের ফোলা অবস্থা দেখে লেখক তাদের বেরিবেরির আসামি বলেছেন।

গ. উদ্দীপকে সর্বশী ও পাঙ্গুলির প্রতি সুভার আচরণে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের প্রাণীর সাথে মানুষের স্নেহ-মমতার সম্পর্কের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে একটি কুকুরের সাথে মানুষের স্নেহ-মমতার বন্ধনের স্বরূপ তুলে ধরা হয়েছে। একদিন অসুস্থ লেখক একাকী রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে সঙ্গী হিসেবে কুকুরটিকে পেয়ে যান। তারপর থেকেই কুকুরটির সাথে তাঁর বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি অতিথি হিসেবে কুকুরটিকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং তার যত্নআত্তির ব্যবস্থা করেন।

উদ্দীপকে বাক্প্রতিবন্ধী সুভার অন্তরঙ্গ বন্ধু সর্বশী ও পাঙ্গুলি নামের দুইটি গাভি। এই গাভি দুইটি সুভার পদশব্দ শুনেই তার উপস্থিতি টের পেত এবং কথা না বললেও তার হৃদয়ের অনুভূতি সহজেই উপলব্ধি করতে পারত। সুভার কথাহীন সুর যেন বোবা প্রাণী দুইটি নিজেদের মধ্যে অনুভব, করত, যা ভাষাবোধসম্পন্ন প্রাণীদের পক্ষেও সম্ভবপর হতো না। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে লেখক ও তাঁর অতিথি কুকুরটির মাঝে যে সহানুভূতি ও স্নেহের সম্পর্ক দেখা যায়, উদ্দীপকের সর্বশী ও পাঙ্গুলির প্রতি সুভার আচরণে সেই একই স্নেহভালোবাসার সম্পর্ক ফুটে ওঠে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রাণীর প্রতি মানুষের অনিঃশেষ মমত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে।

ঘ.’বোবা প্রাণীরাও মানুষের অনুভূতি বুঝতে পারে। উদ্দীপক ও ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে লেখকের সঙ্গে একটি কুকুরের মমত্ববোধের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কুকুরটিকে তিনি স্নেহভালোবাসা দিয়ে আপন করে নেন। কুকুরটি তাঁর ভালোবাসা পেয়ে আনুগত্য স্বীকার করে। তাই লেখক কয়েকদিন বাড়ির বাইরে না গেলে কুকুরটি লেখকের খোঁজ করতে তার ঘরে চলে আসে। এছাড়াও পথের ধারে তাঁর জন্য অপেক্ষা করা ছিল কুকুরটির নিত্যদিনের কাজ। কুকুরটি মূলত লেখকের মনের অনুভূতি এবং ভালোবাসা বুঝতে পেরেই এসব আচরণ করেছিল।

উদ্দীপকের সুভার প্রিয় দুইটি গাভি সর্বশী ও পাঙ্গুলি। পাভি দুইটি সুভার মুখে কখনো তাদের নাম না শুনলেও সুভার ভালোবাসা তারা বুঝতে পারত। সুতার পায়ের শব্দ তারা চিনত, সুভার আদর, ভৎসনা, মিনতি ইত্যাদি অনুভূতি তারা মানুষের চেয়েও ভালোভাবে বুঝত।

‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কুকুরটির মতো উদ্দীপকের সর্বশী ও পাঙ্গুলিও তাদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা অনুধাবন করতে পারে এবং সেই অনুযায়ী সাড়া প্রদান করতে পারে। শুধু মানুষে মানুষে যে সবসময় বন্ধুত্ব হয় তা নয়, মানুষ ও প্রাণীর মধ্যেও কন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। ‘অতিথির স্মৃতি’ পল্প ও উদ্দীপক তারই উৎকৃষ্ট প্রমাণ । তাই আলোচ্য উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত ।

৬ প্রশ্নঃ

সুমন অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশে একটি গর্তে একটি বিড়ালখানাকে আটকে থাকতে দেখে রিকশাওয়ালার সাহায্যে সে বিড়ালটিকে উদহার করে পরিষ্কার করে বাড়ি নিয়ে আসে। খুব তরু সময়ে বিড়ালটি তাদের পরিবারের একজন হয়ে ওঠে।

ক. বেনে-বৌ পাখি দুটির রং কেমন ছিল?
খ. দেহ যেমন শীর্ণ মুখ তেমনি পাণ্ডুর – কথাটি ব্যাখ্যা করে।
গ. রতনের মধ্যে ‘অতিথির স্মৃতি গল্পের কোন বিশেষ দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘জীবনের প্রতি ভালোবাসা মানবমনের এক পরম অনুভূতি।’- উদ্দীপক ও ‘অতিধির স্মৃতি’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. বেনে-বৌ পাখি দুটির রং হলদে ছিল।

খ. দেওঘরে দেখা দরিদ্র ঘরের মেয়েটির শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে লেখক এ কথাটি বলেছেন।
লেখক পথের ধারে বসে বৈকালিক ভ্রমণে বেরোনো রোগীদের লক্ষ করতেন। বেরিবেরি আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে একটি অল্পবয়সি মেয়ের শরীর ছিল, রোগা, চেহারা বিবর্ণ। তার চলার শক্তি ছিল না, অথচ কোলে একটি শিশু। উদ্ধৃত উক্তিটি মেয়েটির করুণ অবস্থাকেই তুলে ধরেছে।

গ. উদ্দীপকের রতনের মধ্যে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে বর্ণিত অবলা প্রাণীর প্রতি অকৃত্রিম মমত্ববোধের দিকটি ফুটে উঠেছে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথক চিকিৎসকের পরামর্শে বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে যান। পশু-পাখির প্রতি গল্পকথক উদার দৃষ্টিভঙ্গি লালন। করেন । এই উদার দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই তিনি একটি পথের কুকুরকে সহজেই আপন করে নিতে পেরেছিলেন। পশু-পাখির প্রতি তার এই মমত্ববোধের দিকটি উদ্দীপকেও পরিলক্ষিত হয়।

উদ্দীপকের রতন অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে রাস্তার পাশের গর্তে একটি বিড়ালছানাকে আটকে থাকতে দেখে। এসময় বিড়ালছানাটির প্রতি তার সহানুভূতি জন্মায়। তাই রিকশাওয়ালার সাহায্যে সে বিড়ালছানাটিকে উদ্ধার করে। এরপর পরিষ্কার করে বিড়ালছানাটিকে বাড়িতে নিয়ে আসে। ধীরে ধীরে বিড়ালছানাটির সঙ্গে তার সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। খুব অল্প সময়েই বিড়ালছানাটি তাদের পরিবারের একজন হয়ে ওঠে।

একইভাবে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পেও আমরা অবলা প্রাণীর প্রতি মানুষের অকৃত্রিম। ভালোবাসার পরিচয় পাই। এ গল্পে পথের একটি কুকুরের সাথে লেখকের স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লেখক নিয়মিত কুকুরটির খোঁজখবর নেন এবং চাকরদেরকেও বলে দেন খাবার দিতে। ইতরপ্রাণীর প্রতি লেখকের এই ভালোবাসার দিকটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।

ঘ. অতিথি কুকুরটির প্রতি মনবোধের মধ্য দিয়ে গল্পটিতে গল্পকথকের জীবনের প্রতি ভালোবাসাই প্রকাশ পেয়েছে। ‘অতিথির স্মৃতি’ পরে একটি পথের কুকুরের সঙ্গে মমত্বের সম্পর্ককে উপস্থাপন করা হয়েছে। কুকুরটির প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে গল্পকথক একে অতিথির মর্যাদায় বাড়ি নিয়ে আসেন। এক্ষেত্রে গভীর জীবন বোধ ও ভালোবাসাই লেখককে এমন সংবেদনশীল করে তুলেছে।

উদ্দীপকের রতন অফিস থেকে ফেরার পথে রাস্তার পাশের গর্তে একটি বিড়ালছানাকে আটকে থাকতে দেখে। তার সংবেদনশীল মনে বিড়ালছানাটির জন্য দয়ার উদ্রেক হয়। তাই সে রিকশা থামিয়ে রিকশাওয়ালার সাহায্যে বিড়ালছানাটিকে উদ্ধার করে। এরপর সেটিকে পরিষ্কার করে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং ছানাটির যত্ন নেয়। এভাবে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই বিড়ালছানাটির সঙ্গে তার সদ্ভাব পড়ে ওঠে। একসময় বিড়ালছানাটি যেন তাদের পরিবারেরই একজন হয়ে ওঠে।

“অতিথির স্মৃতি’ পরে দেওঘরে বেড়াতে আসা অসুস্থ লেখকের সঙ্গে পথের একটি কুকুরের সখ্য গড়ে ওঠে। লেখক কুকুরটিকে বাড়িতে ডেকে এনে অতিথির মতো আপ্যায়ন করেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি বাড়ির চাকরদের বলে দেন তারা যেন কুকুরটির যত্ন নেয় এবং খাবার দেয়। ধীরে ধীরে লেখক কুকুরটির সাথে মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাই দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সময় প্রিয় কুকুরটির বিচ্ছেদব্যথায় তিনি-কাতর হয়ে পড়েন। একইভাবে উদ্দীপকের রতনও বিড়ালছানাটিকে ভালোবেসেছে। জীবনের প্রতি ভালোবাসাই তাদের এমন মনোভাবের কারণ। আর সে অনুভূতি থেকেই রতন ও আলোচস গল্পের কথক অবলা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা পোষণ করে তৃপ্ত হয়েছেন। সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

প্রশ্ন ৭

পাঁচ বছরের মেয়ে মিনা। সে কুকুরছানা, বিড়ালছানা, মুরগির জানা যা-ই পায় কোলে নিয়ে আদর করে। একদিন কোথা থেকে একটি বিড়ালছানা আসে। মিনা তো ভারি খুশি। সে ওটাকে বিভিন্ন ধরনের খাবার দেয়, কোলে নিয়ে আদর করে, এমনকি ঘুমানোর সময় নিজের বিছানায় নিয়ে ঘুমায়। মিনার মা এসকল কাজে ভীষণ বিরক্ত হয়ে একদিন রাতে বিড়ালছানাটিকে ঘর থেকে বাইরে বের করে দেন। বিড়ালছানাটি না পেয়ে মিনা অনেক কান্না করে, এমনকি সে ওদিন খাওয়া-দাওয়াও করেনি।

ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট উপাধি লাভ করেন?
খ. অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথক দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের মিনার মা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের যে চরিত্রের প্রতিনিধি তার স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের মিনা ও অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের মনে ভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে।” – বিশ্লেষণ করো।

৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট উপাধি লাভ করেন ।

খ. শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথক দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ।
গল্পকথক চিকিৎসকের পরামর্শে বায়ু পরিবর্তনের জন্য দেওঘরে এসেছিলেন। পত্রকথকের মতে, যদিও বায়ু পরিবর্তন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে খুব একটা পরিবর্তন আনে না, তদুপরি তিনি দেওঘরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে মানসিকভাবে ভালো ছিলেন । কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। তাই তিনি দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

গ. উদ্দীপকের মিনার মা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের মালি-বৌ চরিত্রের প্রতিনিধি মানুষে মানুষে যেমন স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তেমনই অন্যান্য প্রাণীর সাথেও মানুষের স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। সাধারণত সংবেদনশীল মানুষেরা পশু-পাখির প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে থাকেন। কিন্তু আমাদের সমাজে একশ্রেণির মানুষ আছে, যারা মানবেতর প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করে । ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পেও আমরা এ ধরনের আচরণ লক্ষ করি।

উদ্দীপকে মানবেতর প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি নির্দয় আচরণের স্বরূপ ফুটে উঠেছে। সেখানে পাঁচ বছরের মেয়ে মিনা অবলা প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। একদিন একটি বিড়ালছানা আসে তাদের বাড়িতে। সংগত কারণেই বিড়ালছানাটিকে দেখে মিনা খুব খুশি হয়। সে বিড়ালছানাটিকে খাবার দেয়, কোলে নিয়ে আদর করে, এমনকি ঘুমানোর সময় নিজের বিছানায় নিয়ে ঘুমায়।

কিন্তু মিনার মা বিড়ালটির প্রতি মিনার এই ভালোবাসা মেনে নিতে পারেননি। তাই এক রাতে তিনি বিড়ালছানাটিকে বাইরে বের করে দেন। অবলা প্রাণীর প্রতি এমন রূঢ় আচরণের নমুনা আমরা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের মালি-বৌয়ের আচরণেও লক্ষ করি। তাই লেখক অতিথি কুকুরটিকে খেতে দিতে বললেও নিজের স্বার্থের ক্ষতি হচ্ছে বলে মালি-বৌ কুকুরটিকে খেতে না দিয়ে তাড়িয়ে দেয় । এদিক বিবেচনায় উদ্দীপকের মিনার মা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের মালি-বৌ চরিত্রের যথার্থ প্রতিনিধি ।

ঘ. প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের মিনা ও ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক উভয়ই অবলা প্রাণীর প্রতি মমত্বশীল, যা তাদের মধ্যে সাদৃশ্য তৈরি করেছে।
অবলা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা মানুষের একটি প্রশংসনীয় গুণ। অতিথির স্মৃতি’ গল্পেও অবলা প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে । এ গল্পে লেখক পথের একটি কুকুরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, কুকুরটিকে তিনি বরণ করেছেন অতিথির মর্যাদায়।

উদ্দীপকের মিনা বয়সে ছোটো হলেও অবলা প্রাণীর প্রতি মমত্বশীল। সে মমত্ববোধ থেকেই মিনা কুকুরছানা, বিড়ালছানা, মুরগির ছানাকে আদর করে। এসব প্রাণী দেখলে তার হৃদয়ে স্নেহ জেগে ওঠে। একবার একটি বিড়ালছানা তাদের বাড়িতে এলে সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়। পরম মমতায় সে বিড়ালছানাটিকে আপন করে নেয়। সে বিড়ালছানাটিকে বিভিন্ন ধরনের খাবার দেয়, কোলে নিয়ে আদর করে, এমনকি ঘুমানোর সময়ও বিড়ালছানাটিকে সে পাশে রাখে। মানবেতর একটি প্রাণীর প্রতি মিনার এমন ভালোবাসা সত্যিই প্রশংসনীয়।

‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে একটি মানবেতর প্রাণীর সাথে মানুষের সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেওঘরে বায়ু পরিবর্তনের জন্য আসা অসুস্থ লেখকের সাথে একটি কুকুরের স্নেহ-প্রীতির সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লেখক পরম যত্নে কুকুরটিকে বাড়িতে ডেকে এনে অতিথির ন্যায় আপ্যায়ন করেন। এভাবে অল্প কয়েকদিনের পরিচয়েই লেখক অতিথি কুকুরটির সাথে মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাই দেওঘর থেকে বাড়িতে ফেরার দিন লেখক প্রিয় কুকুরটির বিচ্ছেদব্যথায় কাতর হয়ে পড়েন।

একইভাবে উদ্দীপকের মিনাও তার পোষা বিড়ালছানাটি হারিয়ে গেলে কান্নায় ভেঙে পড়ে। মানবেতর প্রাণীর প্রতি এমন অকৃত্রিম ভালোবাসার দৃষ্টান্ত সত্যিই বিরল। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

প্রশ্ন ৮

একদিন জোয়াও পেরেইরা ডি সুজা নামের এক ব্যক্তি রিওডি জেনিরোর একটা দ্বীপে যান। সেখানে তিনি দেখেন একটি পেঙ্গুইন | পালকে তেল লেপটে গিয়ে ডুবতে বসেছে। এমন পরিস্থিতে পেঙ্গুইনটিকে উদ্ধারের পর সেবা-শুশ্রূষার মাধ্যমে সেটিকে তিনি সুস্থ করে তোলেন । পাখিটিকে মুক্ত করার পূর্বে তিনি এর নাম রাখেন ডিনডিম। ডিনডিম চলে যায় গভীর সাগরে। কিন্তু কয়েক মাস পর ডিনডিম তার কাছেই ফিরে এসেছে দেখে তিনি বিস্মিত হয়ে যান। শুধু তাই নয়, পেঙ্গুইনটি সুজার সাথে হাঁটাচলা করলেও ভিন্ন কেউ তার কাছে যেতে পারে না। সুজা বলেন, ‘আমি পেঙ্গুইনটিকে নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসি । আমি মনে করি, পেঙ্গুইনটিও আমাকে ভালোবাসে।

ক. সবচেয়ে ভরে ওঠে কোন পাখি?
খ. পাখি চালান দেওয়াই তাদের ব্যবসা।’- ব্যাখ্যা করো।”
গ. উদ্দীপকের ঘটনাটিতে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? বিশ্লেষণ করো।
ঘ. উদ্দীপকের জোয়াও পেরেইরা ডি সুজার কর্মকাণ্ড ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথকের মনোভাবের প্রতিনিধিত্ব করে কি? আলোচনা করো।

৮ নম্বর প্রশ্নের উত্তর

ক. সবচেয়ে ভোরে ওঠে দোয়েল পাখি।

খ. ব্যাধ বা শিকারিরা নিরীহ পশু-পাখি শিকার ও ক্রয়-বিক্রয় করে জীবিকানির্বাহ করে থাকে বলে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।’অতিথির স্মৃতি’ গল্পে গল্পকথক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য দেওঘরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। দেওঘরের প্রাকৃতিক পরিবেশে গল্পকথকের সকাল হতো বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে।

পাখিদের মধ্যে একজোড়া বেনে বৌ পাখি দুই দিন গল্পকথকের বাড়িতে না এলে তিনি চিন্তিত হন। এদেশে ব্যাধেরা পশু-পাখি চালান করে অর্থ উপার্জন করে। বেনে-বৌ পাখিরা এসব ব্যাধের শিকার হলো কি না তাই ভেবে গল্পকথক উদবিগ্ন হয়ে পড়েন। আলোচ্য অংশটুকুতে এ বিষয়টির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

গ. উদ্দীপকের জোয়াও পেরেইরা ডি সুজার প্রতি পেঙ্গুইনটির ভালোবাসায় ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কথকের সঙ্গে অতিথি কুকুরটির স্নেহ-মমত্বের সম্পর্কের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পটি প্রাণী ও মানুষের মধ্যকার স্নেহভালোবাসার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। এ গল্পে পথের একটি কুকুরই গল্পকথকের প্রিয় অতিথি। কুকুরটির প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা গল্পটিকে বিশেষ করে তুলেছে ।

উদ্দীপকে একটি পেঙ্গুইনের সঙ্গে জোয়াও পেরেইরা ডি সুজা নামের এক ব্যক্তির স্নেহ-মমত্বের সম্পর্ককে তুলে ধরা হয়েছে। তার শুশ্রূষায় বিপদাপন্ন পেঙ্গুইনটি সুস্থ হয়ে উঠলে তিনি সেটিকে মুক্ত করে দেন। কিন্তু মুক্ত হয়ে পেঙ্গুইনটি তাকে ভুলে যায়নি। তাই কিছুদিন পরই সে আবার জোয়াও পেরেইরা ডি’সুজার কাছে ফিরে আসে। আলোচ্য গল্পেও মানুষের প্রতি পশু-পাখির এমন ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতাবোধের পরিচয় মেলে।

ঘ. উদ্দীপকের জোয়াও পেরেইরা ডি সুজার কর্মকাণ্ড ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কথকের মনোভাবের প্রতিনিধিত্ব করে। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে গল্পকার মানুষের সঙ্গে মানবেতর প্রাণীদের সখ্যের এক অনন্য উদাহরণ দিয়েছেন।

সেখানে অল্পদিনের পরিচয়ের মধ্য দিয়ে পথের এক কুকুরের সঙ্গে গল্পকথকের স্নেহ-মমত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে -পশু-পাখির প্রতি গল্পকথকের অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং মমত্বই এর কারণ। উদ্দীপকে জোয়াও পেরেইরা ডি সুজা নামের এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে। তিনি রিওডি জেনিরোর এক দ্বীপে বিপদাপন্ন একটি পেঙ্গুইন পাখিকে দেখতে পান। এমতাবস্থায় তিনি পাখিটির সাহায্যে এগিয়ে আসেন। ধীরে ধীরে পাখিটি সুস্থ হয়ে উঠলে তিনি পাখিটিকে মুক্ত করে দেন।

‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কথকও পাখিদের বিপদের আশঙ্কায় চিন্তিত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, পথের একটি কুকুরকে তিনি অতিথির মর্যাদায় বরণ করেন এবং চাকরদের বলেন তার খাওয়ার ব্যবস্থা করতে। এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে আলোচ্য গল্পের কথক এবং উদ্দীপকের জোয়াও পেরেইরা ডি সুজার পশু-পাখির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাবের পরিচয় মেলে। সে বিবেচনায় উদ্দীপকের জোয়াও পেরেইরা ডি সুজার কর্মকাণ্ড ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কথকের মানসিকতাকেই তুলে ধরে।

অতিরিক্ত প্রশ্ন : অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১ রহমত শেখ একজন ভূমিহীন কৃষক। নিজের বলতে তার মাথা গোজার ঠাঁইটুকু ছাড়া আর কিছুই নেই। কিন্তু তার প্রাণপ্রিয় সঙ্গী হলো তার বৃদ্ধ ঘোড়া ‘বস্তু’। দীর্ঘ দশ বছর ধরে বন্ধু রহমতের সুখ-দুঃখের সাথি। বর্তমানে অভাবের তাড়নায় রহমত নিজের খাবার জোটাতেই হিমশিম খাচ্ছে, তার উপর বড়ুর জন্য ঘাস বা দানাদার খাবার কেনা তার পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রামের মাতব্বর বড়ুকে কসাইয়ের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার পরামর্শ দিলেও রহমত তাতে রাজি হয়নি। সে বস্তুর পিঠে হাত বুলিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে বলে, ‘বাপরে, তুই তো শুধু জানোয়ার নোস, তুই আমার সন্তানের মতো । তোরে না খাইয়ে রাখা যে আমার কলিজায় তিরের মতো বিধে। কিন্তু কী করব বল, খোদা আজ আমাদের বড়ো পরীক্ষায় ফেলেছে।’ বড়ুও যেন সব বোঝে, সে শান্ত হয়ে রহমতের কাঁধে মুখ ঘষে তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করে।

ক. শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন পদক লাভ করেন?
খ. লেখক দেওঘর থেকে বিদায় নিতে নানা অজুহাতে দিন দুই দেরি করলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বড়ুর প্রতি রহমত শেখের সাথে আচরণে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের রহমত শেখের সাথে লেখকের চেতনাগত মিল থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।’— ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

প্রশ্ন ২ সিলেটের চা-বাগান এলাকার রতন দীর্ঘ আট বছর ধরে একটি কুকুর পুষছিল, যার নাম ছিল ‘বাঘা’। বাঘা ছিল রতনের ছায়ার মতো সঙ্গী। রতন যেখানেই যেত, বাঘা তার পিছু পিছু ছুটত। কিন্তু রতনের পরিবারের চরম অভাব-অনটনের সময় গ্রামের এক বিত্তবান ব্যক্তি পাহারা দেওয়ার জন্য বাঘাকে কিনে নিতে চান। অনেক অনুনয়-বিনয় সত্ত্বেও পরিবারের চাপে রতন বাঘাকে বিক্রি করতে রাজি হয়। ক্রেতা যখন বাঘাকে শিকল দিয়ে। বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল, বাঘা তখন করুণ চোখে রতনের দিকে তাকিয়ে ডুকরে -কাঁদছিল। সে এক পা-ও নড়ছিল না। রতনও আড়ালে গিয়ে চোখ মুছছিল। তিন দিন পর খবর পাওয়া গেল, বাঘা নতুন বাড়িতে এক দানা খাবারও স্পর্শ করেনি এবং রশি ছিঁড়ে পালানোর চেস্টায় আঘাত পেয়ে নিথর হয়ে পড়ে আছে। রতন বাঘার নিথর দেহের পাশে বসে বিলাপ করে বলতে লাগল, ‘ক্ষমা করিস ভাই, তোকে বাঁচাতে পারলাম না। তুই কি তবে আমার উপর রাগ করেই না ফেরার দেশে চলে গেলি?’

ক. শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেওঘরে যাওয়ার কারণ কী?
খ. অতিথি কিছুতে ভেতরে ঢোকার ভরসা পেল না কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. বাঘার আচরণ ও ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের অতিথির আচরণ কীভাবে ভিন্ন? বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের রতনের অনুভূতি আর ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের অনুভূতি একই ধারায় উৎসারিত।” – মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

প্রশ্ন ৩ হারুন সাহেব একজন ডায়াবেটিস রোগী। তিনি ডাক্তারের পরামর্শে প্রতিদিন বিকেলে হাটতে বের হন। হাঁটতে গিয়ে দেখেন তার মতো অনেকেই হাঁটতে বের হয়েছে। যারা হাঁটতে বের হয়েছে তাদের অনেকেই স্থূলকায়। একটু হাঁটলেই হাঁপিয়ে যায়। তারপরও তাদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা। হঠাৎ হারুন সাহেব দেখতে পান রাস্তার পাশে একটি বিড়ালছানা অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি বিড়ালছানাটিকে বাসায় নিয়ে যান এবং পরম যত্নে তাকে সুস্থ করে তোলেন। ( এবং সৃজনশীল প্রশ্নের অনুপ
ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে রেঙ্গুন যাত্রা করেন?”
খ. মালি-বৌ কুকুরটিকে তাড়িয়ে দিতে কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত লোকদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে হারুন সাহেবের প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের মমত্ববোধের পূর্ণাঙ্গ রূপ ফুটে উঠেছে কি? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো। ৪

প্রশ্ন ৪ পাখি পোষার শখ কমলের। সে কবুতর পোষে। বলতে গেলে কবুতর পোষা তার রীতিমতো নেশায় পরিণত হয়েছে। একবার এক আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে একটি কবুতরকে তার খুব পছন্দ হয়। কমল আবদার করে সেটিকে বাড়িতে নিয়ে আসে। নাম দেয় রাজা। রাজাকে নিয়ে আনন্দে দিন কাটে কমলের। কিন্তু একদিন রাজা বাইরে উড়ে গিয়ে আর ফিরে আসে না। পরে জানা যায় শিয়ালের কবলে পড়ে প্রাণ দিয়েছে রাজা।

ক. কী দেখে লেখকের সত্যিকার ভাবনা ঘুচে গেল?
খ. আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন’ বলতে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের রাজা ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে কার প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের কমলের অনুভূতি আর ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথকের অনুভূতি একই ধারায় উৎসারিত।”- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই করো।

প্রশ্ন ৫ নয়ন তারা গ্রামের একটি কিশোর। ছোটোবেলা থেকেই সে কথা বলতে পারে। না। মানুষের ভিড় এড়িয়ে সে নদীর পাড়ে বটগাছের নিচে একা বসে থাকতে ভালোবাসে। তার একমাত্র বন্ধু তার পোষা ছাগল ‘ধলা’। নয়নের যখন মন খারাপ থাকে, ধলা তখন তার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে নীরব সান্ত্বনা দেয়। ধলার সাথে নয়নের কথা হয় চোখের ভাষায় আর হাতের স্পর্শে। নয়ন আদর করলে বা বকা দিলে ধলা তা সহজেই বুঝতে পারে। গ্রামের লোকজন তাদের এই অদ্ভূত বন্ধুত্ব দেখে অবাক হয়, কিন্তু নয়নের কাছে ধলাই তার মনের সব কথা বোঝার একমাত্র সঙ্গী।
ক. কুকুরটি কখন লুকিয়ে বাড়িতে এসেছিল?
খ. মধ্যবিত্ত গৃহস্থের ঘরে পীড়িতদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে ধলার প্রতি নয়নের আচরণে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘বোবা প্রাণীরাও মানুষের মনের অনুভূতি বুঝতে পারে।’- উদ্দীপক ও “অতিথির স্মৃতি’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন 6 নিলয় অফিস থেকে ফেরার পথে ঝড়ের কবলে পড়ে রাস্তার ধারের একটি ডোবায় একটি ছোটো ছাগলছানাকে আটকা পড়ে থাকতে দেখে। একজনের সাহায্যে সে ছানাটিকে উদ্ধার করে গা মুছে পরিষ্কার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ছাগলছানাটি তাদের পরিবারের এক অবিচ্ছেদ্য সদস্য হয়ে ওঠে।
ক. বেনে বৌ পাখি দুটির রং কেমন ছিল?
খ. দেহ যেমন শীর্ণ মুখ তেমনি পাণ্ডুর’- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
গ. নিলয়ের মধ্যে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কোন বিশেষ দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘জীবনের প্রতি ভালোবাসা মানবমনের এক পরম অনুভূতি – উদ্দীপক ও ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

প্রশ্ন – ৭ দশ বছরের কিশোর আরিফ। বাগান করা তার প্রবল নেশা; গোলাপ, জবা কিংবা ক্যাকটাস যাই পায় সে সযত্নে বারান্দায় টবে লাগিয়ে দেয়। হঠাৎ একদিন সে নার্সারি থেকে একটি বিদেশি অর্কিড নিয়ে আসে। গাছটি পেয়ে আরিফ দারুণ আনন্দিত হয় । সে নিয়মিত সেটিতে পানি দেয়, রোদে রাখে এবং খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে গাছের নতুন কুঁড়ি পরীক্ষা করে। কিন্তু বারান্দায় মাটির ছড়াছড়ি দেখে আরিফের বড়ো ভাই খুব বিরক্ত হন এবং একদিন সুযোগ বুঝে অর্কিডের টবটি বাড়ির পেছনের বাগানে ফেলে দিয়ে আসেন। প্রিয় গাছটিকে যথাস্থানে না পেয়ে আরিফ সারাদিন অঝোরে কাঁদে, এমনকি সেই রাতে সে কোনো খাবারও স্পর্শ করেনি।

ক. সবচেয়ে ভোরে ওঠে কোন পাখি?
খ. ‘পাখি চালান দেওয়াই তাদের ব্যবসা।’- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আরিফ ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের যে চরিত্রের প্রতিনিধি তার স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।
ঘ .”প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের মিনা ও ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকের মনে ভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে।”- বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন ৮ একবার রাশেদ খান নামের এক পর্যটক সুন্দরবনের গহীনে ভ্রমণে যান। সেখানে তিনি দেখতে পান একটি হরিণ শাবক লতাগুল্মে জড়িয়ে কাদার মধ্যে আটকে ধুঁকছে। এই অবস্থায় তিনি হরিণটিকে মুক্ত করে নিবিড় যত্নের মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। বনে ছেড়ে দেওয়ার আগে তিনি মায়ার টানে শাবকটির নাম রাখেন ‘চিত্রা’। সুস্থ হওয়ার পর চিত্রা গভীর বনে মিলিয়ে যায়। কিন্তু বেশ কয়েক সপ্তাহ পর একদিন চিত্রা পুনরায় রাশেদ খানের ক্যাম্পের সামনে ফিরে এলে তিনি অবাক হয়ে যান। মজার ব্যাপার হলো, হরিণটি রাশেদ খানের আশেপাশে ঘুরে বেড়ালেও অন্য কোনো পর্যটককে কাছে ভিড়তে দেয় না। রাশেদ খান বলেন, ‘আমি শাবকটিকে নিজের ছোটো ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আর আমার বিশ্বাস এই অবুঝ প্রাণীটিও আমাকে একইভাবে আপন করে নিয়েছে।

ক. শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।
খ. ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথক দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের ঘটনাটিতে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? বিশ্লেষণ করো।
ঘ. উদ্দীপকের রাশেদ খানের কর্মকাণ্ড ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের গল্পকথকের মনোভাবের প্রতিনিধিত্ব করে কি? আলোচনা করো।

Previous Post

আদু ভাই গল্পের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন উত্তর

Next Post

১৪টি পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

Raihan

Raihan

আমাদের টার্গেট হল ইন্টারনেটকে শেখার জায়গা বানানো। আমরা বিশ্বাস করি যে জ্ঞান শুধুমাত্র শেয়ার করার জন্য তাই কেউ যদি প্রযুক্তি এবং স্টাডি সম্পর্কে কিছু জানে এবং শেয়ার করতে চায় তাহলে বাংলা ডাটা পরিবার তাকে সর্বদা স্বাগত জানানো হবে।

Related Posts

পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র

১৪টি পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

February 23, 2026
Next Post
পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১৪টি পড়ে পাওয়া গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

Please login to join discussion

Categories

  • অনার্স
  • অষ্টম শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র
  • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
  • পড়াশোনা
  • ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ১ম পত্র
  • ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ব্যাকরণ
  • সপ্তম শ্রেনি বাংলা ১ম পত্র
  • সপ্তম শ্রেনি বাংলা ২য় পত্র

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

তৃতীয় শ্রেণি

সকল সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

Copyright © 2026 Design by Bangla Data

  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • একাডেমিক
    • তৃতীয় শ্রেণি
    • চতুর্থ শ্রেণি
    • পঞ্চম শ্রেণি
    • ষষ্ঠ শ্রেণি
    • সপ্তম শ্রেণি
    • অষ্টম শ্রেণি
    • নবম-দশম শ্রেণি
    • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
    • ডিগ্রি
    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • ইঞ্জিনিয়ারিং
    • মেডিকেল
    • ভর্তি ও পরীক্ষা
  • এসএসসি-২০২৬ শর্ট সাজেশন
  • এইচএসসি-২০২৬ সাজেশন
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • স্কিল ডেভেলপমেন্ট
  • ক্যারিয়ার
  • স্কলারশিপ
  • বিবিধ
    • স্বাস্থ্যপাতা
    • ডাউনলোড
    • চাকরী-বাকরী
    • ইংরেজী শিখুন
    • ফ্রিল্যান্সিং
    • সাধারণ জ্ঞান
    • গুগল এ্যাডসেন্স
    • ব্যাংকিং
    • নাগরিক সেবা
    • টিপস এন্ড ট্রিক্স
    • গেস্ট ব্লগিং
    • জমিজমা
    • ধর্মকথা
    • প্রবাস জীবন
    • ইচ্ছেঘুড়ি
    • প্রোডাক্ট রিভিউ
    • বায়োগ্রাফি

© 2026 Bangla Data -Share Your Knowledge.