• About Us
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
Sunday, April 5, 2026
  • Login
Bangla Data
  • About Us
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
No Result
View All Result
  • About Us
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
No Result
View All Result
Bangla Data
No Result
View All Result
  • About Us
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
Home ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এইচএসসি

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র – ২য় অধ্যায় অনুধাবন প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় অনুধাবন প্রশ্ন উত্তর

admin by admin
in ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এইচএসসি
A A
0
Share on FacebookShare on Twitter

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় অনুধাবন প্রশ্ন উত্তর খুঁজছেন? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পোস্টে আমরা এইচএসসি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় অনুধাবন প্রশ্ন উত্তর গুলো সহজ ও সংক্ষিপ্ত এবং পরীক্ষায় কমন উপযোগী উত্তর তুলে ধরেছি।

এই অধ্যায়ে ইসলামি সভ্যতা সংস্কৃতি এবং ঐতিহাসিক বিষয়গুলো বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এখানে সাজানো হয়েছে বাছাইকৃত ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় অনুধাবন প্রশ্ন উত্তর।

আপনি এগুলোও পড়তে পারেন

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ৩য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ৩য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

24 hours ago
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

1 day ago
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র: ২য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

1 day ago
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

2 days ago

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় অনুধাবন প্রশ্ন উত্তর

আপনি যদি দ্রুত প্রস্তুতি নিতে চান কিংবা পরীক্ষার আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুলো রিভিশন করতে চান তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য অনেক উপকারি হবে। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন।

প্রশ্ন-১। কুরাইশ নামের উৎপত্তি সম্পর্কে লেখ।

উত্তর : হজরত ঈসা (আ.)-এর জন্মের বহু পূর্বে হজরত ইসমাইলের বংশীয় আদনান প্ৰসিদ্ধ মক্কা নগরীতে বসতি স্থাপন করেন। তাঁরই ঔরসজাত পুত্র মা’আদ এবং মা’আদের পুত্র ফিহর এ বংশের একজন ‘প্রভাবশালী ব্যক্তি, ফিহরের অপর নাম কুরাইশ।

পরবর্তীকালে কুরাইশের নাম অনুসারে এ বংশের নাম হয় কুরাইশ বংশ। কুরাইশ শব্দের অর্থ সওদাগর বা বণিক। প্রাক-ইসলামি আরবে কুরাইশরা ব্যবসায়-বাণিজ্যের জন্য খ্যাতি লাভ করেন।

প্রশ্ন-২। মহানবি (স.)-এর নবুয়ত প্রাপ্তির ঘটনা লেখ ।

উত্তর : আরব দেশের পাপ-পঙ্কিল সমাজব্যবস্থায় মানুষ দিকভ্রষ্ট। কুসংস্কার ও পৌত্তলিকতাপূর্ণ এ সমাজব্যবস্থা দেখে হজরত মুহম্মদ (স.)-এর মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে এবং তিনি মানবজাতির মুক্তির জন্য চিন্তা করতে থাকেন। ফলে ৩৫ বছর বয়সেই তাঁর জীবনে এক ভাবান্তর ও পরিবর্তন লক্ষ করা গেলে তিনি প্রতিবছর এক মাস মক্কার অদূরে হেরা গুহায় এক গভীর ধ্যানে ও উপাসনায় মগ্ন থাকতেন ।

অবশেষে ৪০ বছর বয়ঃক্রমকালে ৬১০ খ্রিষ্টাব্দের রমজান মাসে ঐশী বাণী লাভ করেন। দ্ব্যর্থকণ্ঠে স্বর্গীয় দূত জিব্রাইল (আ.) হজরত মুহম্মদ (স.)-এর সম্মুখে আবির্ভূত হয়ে তাঁকে বললেন, “ইকুরা বি-ইসমি রাব্বিকাল্লাযি খালাক, অর্থাৎ পড়ুন আপনার সৃষ্টিকর্তার নামে।”

প্রশ্ন-৩। মহানবি (স.) মদিনায় হিজরতের পর কীভাবে মদিনা রাষ্ট্র গঠন করেন?

উত্তর : হজরত মুহম্মদ (স.) মদিনায় আউস ও খাযরাজ গোত্রের মধ্যে বিরাজমান দীর্ঘকালীন শত্রুতার অবসান ঘটান এবং তাদের পরস্পর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করেন। যে সকল ধর্মপ্রাণ বিশ্বাসী সাহাবা জন্মভূমি ত্যাগ করে তার সাথে মদিনায় প্রস্থান করেন তিনি তাদেরকে ‘মুহাজেরীন’ বা শরণার্থী এবং যে সকল নবদীক্ষিত মদিনাবাসী তাদের আশ্রয় ও সাহায্য প্রদান করেন তাদের ‘আনসার’ বা সাহায্যকারী নামে অভিহিত করেন।

তিনি মদিনায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। যার প্রধান হিসেবে তিনি সর্বময় রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হন। এখানে গড়ে তোলেন প্রথম নামাজঘর বা মসজিদে নববী এবং এখান থেকেই মদিনা রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো।

প্রশ্ন-৪। শিক্ষা সংস্কারক হিসাবে মহানবি (স.)-এর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : অজ্ঞতার যুগে মহানবি (স.) শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি ঘোষণা করেন, “জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক নর-নারীর জন্য ফরজ। জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজন হলে সুদূর চীন দেশে যাও।” তিনি আরও বলেন, “পণ্ডিতের কলমের কালি শহিদের রক্তের চেয়েও অধিক পবিত্র।” মসজিদ-ই-নববী ছিল তাঁর প্রথম শিক্ষালয়। তাই মহানবির শিক্ষা সংস্কারের ফলে মুসলিম জাতি অল্পদিনের মধ্যে বিশ্বের শিক্ষক হিসেবে পরিচয় লাভ করে।

প্রশ্ন-৫: মহানবি (স.)-এর মক্কা বিজয় কি উদারতা ও মহানুভবতার বিজয় ছিল?

উত্তর : মক্কা বিজয় ছিল মুহম্মদ (স.)-এর অসীম ক্ষমা, উদারতা ও মহানুভবতার এক অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে হজরত মুহম্মদ (স.) ও তাঁর সাথীরা মক্কাতে অপমানিত, লাঞ্ছিত ও নির্যাতিত হন এবং শেষ পর্যন্ত মদিনায় হিজরত করতে বাধ্য হন। কিন্তু ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি (স.) যখন বিজয়ীর বেশে মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন কুরাইশদের সমস্ত অতীত অপমান ও অন্যায় ভুলে গিয়ে তাদের প্রতি সর্বজনীন ক্ষমা প্রদর্শন করে এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

আমীর আলী বলেন, “বিজয়ের মুহূর্তে মহানবি (স.) সমস্ত দুর্ভোগ ভুলে গেলেন। সমস্ত আঘাত ক্ষমা করেন এবং মক্কাবাসীদের প্রতি সর্বজনীন ক্ষমা ঘোষণা করেন। তাই মক্কা বিজয় ছিল উদারতা ও মহানুভবতার দৃষ্টান্ত।”

প্রশ্ন-৬। আবরাহার মক্কা অভিযান সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর : কাবাঘরের প্রতি আরববাসীর ভক্তি-শ্রদ্ধা ও মক্কার উচ্চ ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে আবিসিনিয়ার খ্রিষ্টান রাজা আবরাহা কাবাঘর ধ্বংস কারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে মক্কার শাসনকর্তা আব্দুল মোত্তালিবের শাসনামে করার জন্য ৬০ হাজার সৈন্য ও হস্তীবাহিনী নিয়ে মক্কা আক্রমণ কুরআন মতে, আল্লাহর নির্দেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আবাবিল পাখির প্র করেন।

কিন্তু সংক্রামক ব্যাধি, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে এবং পরিত “নিক্ষেপে আবরাহার বাহিনী চরমভাবে বিপর্যস্ত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় – ইসলামপূর্ব যুগের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে আবরাহার মক্কা অভিযান একটি অন্যতম ঘটনা। প্রাকৃতিক উপায়ে তার এ পতন ছিল অহংকার ও দাম্বিকতার পতন।

প্রশ্ন-৭। হিলফুল ফুজুল বলতে কী বোঝ?

উত্তর : উকার্য-মেলায় জুয়াখেলা ও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয় এবং তা পাঁচ বছর স্থায়ী হয়। মহানবি সিরিয়া থেকে ফিরে এ বর্বরতম যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেন। অহেতুক যুদ্ধের এ নৃশংসতা মহানবি (স.)-এর কোমল হৃদয়কে ব্যথিত করে তোলে।

তাই তিনি আর্তপীড়িত, দুর্বল, অসহায় ও অত্যাচারিতদের জুলুমকারীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য এবং সব অন্যায় যুদ্ধ রহিত করার জন্য মক্কার উৎসাহী যুবকদের নিয়ে একটি শান্তি কমিটি গঠন করেন। ফজল, ফাজেল, ফাজায়েল ও মুফাজ্জল- এ চারজন বিখ্যাত সভ্যের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘হিলফুল ফুজুল’।

প্রশ্ন-৮। ‘মিরাজ’ সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর : মিরাজ শব্দের আভিধানিক অর্থ ঊর্ধ্বগমন। ৬২০ সালের রজব মাসের ২৭ তারিখ মহানবি (স.) সশরীরে আল্লাহ পাকের দিদার লাভ করেন। মক্কা থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস হয়ে বুরাকের পৃষ্ঠে আরোহণ করে সাত আসমান ভেদ করে মহানবি (স.)-এর ঊর্ধ্বগমনকে মেরাজ বলা হয়ে থাকে।

কথিত আছে যে, কুরাইশদের অমানুষিক অত্যাচার, বিবি খাদিজা ও আবু তালিবের মৃত্যু এবং তায়েফবাসীর নির্যাতনে শোকাহত মহানবি (স.)-কে সান্ত্বনা দেয়ার উদ্দেশ্যে আল্লাহ পাক এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। আল্লাহ তাঁর প্রিয় হাবিবকে সব বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করার শক্তি প্রদানের জন্য এ সাক্ষাতের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

প্রশ্ন-০৯। আবিসিনিয়ায় মুসলমানদের হিজরতের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর : আবিসিনিয়ায় মুসলমানরা দুবার হিজরত করেন। নবদীক্ষিত মুসলমানদের উপর কুরাইশদের অত্যাচারের মাত্রা যখন চরমে ওঠে তখন মহানবি (স.) হজরত ওসমান (রা.) ও তাঁর স্ত্রী নবিনন্দিনী হজরত রোকাইয়াসহ ১৪ জন নবদীক্ষিত মুসলমানকে আবিসিনিয়ায় আশ্রয়ের জন্য পাঠান। আবিসিনিয়ার খ্রিষ্টান রাজা নাজ্জাসির সাথে মক্কার সম্পর্ক ভালো না হলেও তিনি মুসলমানদের আশ্রয় দান করেন। এটা ছিল আবিসিনিয়ায় প্রথম হিজরত।

আবিসিনিয়ায় দু’মাস অবস্থান করে মুসলমানরা পুনরায় মক্কায় ফিরে এলে কুরাইশরা তাদের অত্যাচারের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। এর প্রেক্ষিতে মুহম্মদ (স.) প্রায় ১০০ জনের একটি মুসলিম দলকে পুনরায় আবিসিনিয়ায় যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং আবিসিনিয়ায় মুসলমানরা দ্বিতীয়বারের মতো হিজরত করতে বাধ্য হলেন ।

প্রশ্ন-১০। আল আকাবার শপথ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : ৬২০ সালে ইয়াসরিববাসী ৬ জন খাযরাজ গোত্রের লোক আকাবা নামক স্থানে মহানবি (স.)-এর কাছে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ইয়াসরিবে ফিরে গিয়ে সেখানে ইসলাম প্রচারের শপথ করেন, এটিই আল আকাবার প্রথম শপথ ।

৬২১ সালে ১২ জন ইয়াসরিববাসী বন খাযরাজ ও আউজ গোত্রের লোক আকাবা হজরত (স.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে ইসলাম গ্রহণ ইতিহাসে আকাবার দ্বিতীয় শপথ নামে পরিচিত। করেন এবং দেশে ফিরে গিয়ে ইসলাম প্রচারের অঙ্গীকার করেন, যা ৬২২ সালে ৭৩ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা ইয়াসরিববাসী আকাবায় মহানবি (স.)-এর সাথে গোপনে সাক্ষাৎ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। এটিই ‘আকাবার তৃতীয় শপথ’ নামে পরিচিত। আকাবার শপথে ইয়াসরিববাসীরা তাওহীদে বিশ্বাস স্থাপন এবং ইসলামের রীতিনীতি আদর্শ মেনে চলার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন ।

প্রশ্ন-১১। হিজরত বলতে কী বোঝ?

উত্তর : হিজরত আরবি শব্দ, এর অর্থ “স্থানান্তর’ বা ‘দেশত্যাগ’। মক্কার কুরাইশদের অমানুষিক অত্যাচার ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে হজরত মুহম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে রাতের আঁধারে মক্কা ছেড়ে ইয়াসরিবে (মদিনায়) গমন করেন। ইসলামের ইতিহাসে এ গমনকে হিজরত বলা হয়।

ঐতিহাসিক এ জে উইনসিংক একে পলায়ন বললেও ঐতিহাসিক পি কে হিটি একে দীর্ঘদিনের সুপরিকল্পিত প্রস্থান বলে অভিহিত করেছেন।. ঐতিহাসিক পি.কে হিট্টি বলেন, “হিজরতের ফলে মহানবি (স.)-এর মজাজীবনের অবসান ও মদিনাজীবনের সূচনা হয় এবং এখানেই মহানবি (স.)-এর জীবনের মোড় ঘুরে যায়।”

প্রশ্ন-১২। হিজরতকে মহানবি (স.)-এর জীবনের মোড় পরিবর্তনকারী অধ্যায় বলা হয় কেন?

উত্তর : হিজরত মুহম্মদ (স.)-এর জীবনে একটি মোড় পরিবর্তনকারী অধ্যায়। মক্কায় অবহেলিত, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মুহম্মদ (স.) তাঁর হতাশার দিনগুলোকে অতিবাহিত করে মদিনায় এসে সম্মানিত নেতার মর্যাদা লাভ করেন, সমাজ থেকে সব অনাচার-অবিচার বিদূরিত করে ইসলামি অনুশাসন কায়েম করেন।

মদিনায় প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচারের সুযোগ থাকায় দ্রুত ইসলামের প্রসার ঘটে। শুধু তাই নয়, মদিনায় তিনি ইসলামি রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন করে একজন রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসক ও কূটনীতিবিদের আসন লাভ করেন। তাই জোসেফ হেল-এর মতে, “Hijrat is the greatest turning point in the history of Islam.”

প্রশ্ন-১৩। বদরের যুদ্ধ কেন সংঘটিত হয়?

উত্তর : মদিনায় মহানবির শক্তি বৃদ্ধি, ইসলামের দ্রুত প্রসার এবং আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই মহানবি (স.)-এর আগমনে মদিনার নেতা হতে না পেরে তাঁর বিরুদ্ধে কুরাইশদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে এবং ইহুদিদের স্বার্থ বিঘ্নিত হলে তারা মক্কার কুরাইশদেরকে মহানবির বিরুদ্ধে উৎসাহিত করে।

মদিনায় মহানবি (স.)-এর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে মদিনায় বাণিজ্যপথ বন্ধ হয়ে যাবে, তাই রুদ্ধ বাণিজ্যপথ মুক্ত করার জন্য কুরাইশরা মরিয়া হয়ে ওঠে। কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ান বাণিজ্যের অজুহাতে অস্ত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সিরিয়া গমন করেন। কুরাইশের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য মহানবি (স.) এক ক্ষুদ্র দল সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পাঠালে তাদের সাথে কুরাইশদের একটি খণ্ডযুদ্ধ হয়। এ খণ্ডযুদ্ধই বদরের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ।

প্রশ্ন-১৪। হুদায়বিয়ার সন্ধি বলতে কী বোঝ?

উত্তর : ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে হিজরতের পর থেকে দীর্ঘ ছয় বছর, মদিনায় আশ্রয়কারী মুসলমানরা মাতৃভূমির মুখ দর্শন করেনি, হজ্‌জব্রতও পালন করতে পারেনি। তাই মাতৃভূমি দর্শন ও হজব্রত পালনের জন্য মহানবি (স.) ১৪০০ সাহাবা এবং ৭০টি উট নিয়ে ষষ্ঠ হিজরিতে মক্কার দিকে যাত্রা করেন।

মুসলমানদের এ আগমনের সংবাদে কুরাইশরা ভীত হয়ে খালিদ ও ইকরামার নেতৃত্বে বাধা দান করেন, ফলে বাধ্য হয়ে মুসলমানরা হুদায়বিয়া প্রান্তরে শিবির স্থাপন করে। মুসলমানরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিলে কুরাইশরা সুহাইল বিন আমরকে সন্ধির প্রস্তাব নিয়ে প্রেরণ করে। ফলে ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে এক সন্ধিপত্র স্বাক্ষরিত হয় যা হুদায়বিয়ার সন্ধি নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-১৫। হুদায়বিয়ার সন্ধিকে ‘ফাততুম মুবিন’ বলা হয় কেন?

উত্তর : হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলে মক্কা ও মদিনার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপিত হয় । সন্ধির শর্তগুলোকে মুসলমানদের স্বার্থের পরিপন্থি মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল মুসলমানদের অনুকূলে। সন্ধি চুক্তিতে যুদ্ধবিরতির ফলে মুসলমানরা নির্বিঘ্নে ইসলাম প্রচারের সুযোগ লাভ করে।

ফলে মাত্র দু বছরে মুসলমানদের সংখ্যা ১৪০০-এর স্থলে ২০০০-এ উন্নীত হয় এবং মহানবির নেতৃত্বে মুসলমানরা নিজেদের সুসংহত ও প্রশিক্ষিত করার সুযোগ লাভ করে। সবদিক বিবেচনা করে প্রকৃত অর্থেই এ সন্ধিকে ‘ফাতহুম মুবিন’ বা প্রকাশ্য বিজয় বলে অভিহিত করা হয় ।

প্রশ্ন-১৬। মহানবি (স.)-কে আল-আমিন বলে ডাকা হতো কেন?

উত্তর : বাল্যকাল থেকে মুহম্মদ (স.) চিন্তাশীল ও গুরুগম্ভীর ছিলেন। তিনি সত্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ ছিলেন। কোমল ও অমায়িক ব্যবহারের জন্য সকলেই তাঁকে ভালোবাসত ও শ্রদ্ধা করত। সত্যের প্রতি অনুরাগ, কর্তব্যনিষ্ঠা ও অমায়িক ছিলেন তিনি। এজন্য আরবের জনগণ তাঁকে ‘আল-আমিন’ বা বিশ্বাসী’ উপাধি প্রদান করেছেন।

প্রশ্ন-১৭। মহানবি (স.)-এর মিরাজ গমন সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর : ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি প্রিয়জনের শোকাভিভূত থাকা অবস্থায় আল্লাহ তাঁকে সান্ত্বনা ও প্রেরণা প্রদানের জন্য মিরাজের মাধ্যমে তাঁর সান্নিধ্য লাভ করান। বিশ্বস্রষ্টা ও প্রতিপালকের দিদার লাভের জন্য তিনি মক্কা থেকে প্রথমে জেরুজালেম ও পরে বুরাক নামক বিশেষ যানের সাহায্যে সপ্ত আসমান ভেদ করে রাত্রিকালীন ভ্রমণ করে আল্লাহর প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎ লাভ করেন। মিরাজ শব্দের অর্থ ঊর্ধ্বগমন । ভক্ত মুসলমান মাত্রই এ চমকপ্রদ অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাসী। মহানবি (স.) মিরাজ থেকে মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতামূলক (ফরজ) আদায়ের নির্দেশ পান ।

প্রশ্ন-১৮ । নাখলায় খণ্ডযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও ।

উত্তর : কুরাইশগণের সঙ্গে মদিনা প্রবাসী মুসলমানদের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে নাখলায়- যা ইতিহাসে নাখলার খণ্ডযুদ্ধ নামে পরিচিত। মুহম্মদ (স.) কুরাইশদের মদিনায় লুটতরাজ বন্ধ করার জন্য আব্দুল্লাহকে ১২ জন সঙ্গীসহ দক্ষিণ আরবে প্রেরণ করেন। নাখলায় কুরাইশদের সঙ্গে আব্দুল্লাহর সংঘর্ষ হয়। নাখলার যুদ্ধে একজন কুরাইশ নিহত হলেও দুজন বন্দি হয়। ১৬ হাজার দিরহামের বিনিময়ে পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রশ্ন-১৯। মদিনায় ইহুদিদের সঙ্গে মহানবি (স.)-এর সম্পর্ক কেমন ছিল?

উত্তর : মানবতার মুক্তির দিশারি হজরত মুহম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে হিজরত করে মক্কা হতে মদিনায় গমন করেন। আল্লাহর প্রত্যাদেশ লাভের পর হজরত মুহম্মদ (স.) সত্যের ডাকে কর্তব্যের খাতিরে মদিনায় গেলে মদিনার আউস ও খাযরাজ গোত্রের সঙ্গে ইহুদিগণ মহানবিকে আমন্ত্রণ ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

মদিনার সমস্ত প্রকার দ্বন্দ্ব-কলহ দূরীভূত করে তথায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে মদিনার ইহুদিদের সঙ্গে মহানবির সম্পর্ক গভীর হয়। মদিনাবাসী মহানবি (স.) কে প্রতিশ্রুত নবি হিসেবে পান ।

প্রশ্ন-২০। প্রতিবেশীর প্রতি অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহানবি (স.)-এর অবদান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : মহানবি (স.) নিজের পরিবারবর্গের পরই পাড়া-প্রতিবেশীর হক ও অধিকারের ঘোষণা করেন। জাহেলিয়া যুগে পাড়া-প্রতিবেশী ছিল অবহেলিত। সকল মানুষ নিজ নিজ কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকত। ফলে সমাজব্যবস্থা ছিল পঙ্গু। মহানবি বিপদে-আপদে পাড়া-প্রতিবেশীদের দুঃখ-দুর্দশায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করেন। ফলে সাহাবিরা পাড়া- প্রতিবেশীর প্রতি অধিক যত্নবান হন। ফলে শতাব্দীর পুঞ্জীভূত পাপাচার ও অনাচার আরব সমাজ হতে দূরীভূত হয়।

প্রশ্ন-২১। আমুল ফীল বা হস্তীর বছর-এর ধারণা দাও 

উত্তর : মহানবি (স.)-এর জন্মের পূর্বে মক্কার শাসন কর্তৃত্ব কুরাইশ বংশের হাশিম পরিবারের উপর ন্যস্ত ছিল। ৫২৩ সালে দয়ালু মোত্তালিবের মৃত্যুর পর তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র এবং হাশিমের পুত্র শায়বা বা আব্দুল মোত্তালিব মক্কার ক্ষমতা লাভ করেন। তিনি তাঁর সুশাসনের মাধ্যমে কুরাইশদের ভক্তি ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন।

তাঁর শাসনক্ষমতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ৫৭০ সালে আবিসিনিয়ার খ্রিষ্টান রাজা আবরাহা এক বিশাল হস্তীবাহিনী নিয়ে মক্কা আক্রমণ করে । আবরাহার হস্তী বাহিনীকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তারা ওই বছরকে হস্তীর বছর বা আমুল ফীল বলে আখ্যায়িত করে।

প্রশ্ন-২২। হজরত মুহম্মদ (স.)-এর বংশ সম্পর্কে ধারণা দাও ?

উত্তর : হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পুত্র ইসমাইলের বংশের উত্তরপুরুষ ফিহর-এর অপর নাম ছিল কুরাইশ, তাঁর নামানুসারে বংশের নাম হয়। কুরাইশ। খ্রিষ্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে ফিহরের বংশধর কুশাই মক্কা ও হেজাজে তাঁর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং পর্যায়ক্রমে মক্কার কর্তৃত্ব পান আব্দুল মোত্তালিব।

আব্দুল মোত্তালিবের সন্তানদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন হজরত মুহম্মদ (স.)-এর পিতা আব্দুল্লাহ । বনু জোহরা গোত্রের নেতা আব্দুল ওয়াহাবের কন্যা বিবি আমিনার সাথে আব্দুল্লাহর বিয়ে হয় এবং বিয়ের কিছুদিন পরই বিবি আমিনাকে গর্ভবর্তী রেখে মাত্র ২৫ বছর বয়সে আব্দুল্লাহ মারা যান। আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহম্মদ (স.) বিশ্ব আলোকিত করে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-২৩। হরবুল ফুজ্জার বা অপবিত্র যুদ্ধ বলতে কী বোঝ?

উত্তর : প্রাক-ইসলামি যুগের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল গোত্রযুদ্ধ। সামান্য কারণেই বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ লেগে যেত। এ রকম একটি যুদ্ধ হলো ‘হরবুল ফুজ্জার’ বা ‘অন্যায় সমর’।

৫৮৫ সালে মক্কার বিখ্যাত। এ উকাজ মেলার জুয়াখেলা ও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে কুরাইশ ও হাওয়াজিন গোত্রের মধ্যে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। নিষিদ্ধ মাসে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল বলে একে হরবুল ফুজ্জার বা অপৰিত্ৰ যুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করা হয়।”

প্রশ্ন-২৪ । বিবি খাদিজা সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর : হজরত খাদিজা (রা.) ছিলেন মহানবি হজরত মুহম্মদ (স.)- এর সহধর্মিণী। মক্কার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা থুয়াইলিদ ছিলেন আরবের ধনী ব্যবসায়ী। পিতার মৃত্যুর পর তিনি পিতার ব্যবসায়ের মালিক হন। পরে তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পরও তার সম্পত্তি লাভ করে প্রচুর সম্পত্তির অধিকারী হন এবং ৪০ বছর বয়সে রাসুল (স.)-এর সাথে তাঁর দ্বিতীয় বিবাহ হয়।

প্রশ্ন-২৫। হজরত মুহম্মদ (স.) কেন মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিলেন?

উত্তর : ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কোনো মহামানবই নিজ দেশে স্বীকৃতি লাভ করেননি। তেমনি মক্কার স্বার্থপর অভিজাত সম্প্রদায় হজরত মুহম্মদ (স.)-এর ইসলাম প্রচারকে তাদের স্বার্থের অন্তরায় মনে করে প্রবল বিরোধিতা করে এমনকি তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। মদিনায় বিবদমান আউস ও খাযরায গোত্র তাদের মধ্যে বিবাদ মীমাংসার জন্য হজরত মুহম্মদ (স.)-কে মদিনায় আমন্ত্রণ জানান।

মদিনায় ইহুদি ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় তাদের ধর্মগ্রন্থ তাওরাত ও বাইবেলে একজন প্রতিশ্রুত নবির সম্বন্ধে অবগত ছিল, তাই সেই প্রতিশ্রুত নবিকে তাদের মধ্যে পাওয়ার জন্য তারা অপেক্ষা করছিল। মহানবি (স.)-এর সাথে মদিনার আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল বিধায় মদিনায় ইসলাম প্রচার সহজ হবে মনে করে আল্লাহর নির্দেশে তিনি মদিনায় হিজরত করেন।

প্রশ্ন-২৬। আনসার ও মুহাজেরিন সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : মুহাজেরিন আরবি শব্দ, যার অর্থ দেশত্যাগীগণ। যাঁরা প্রিয় জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে মহানবি (স.)-এর সাথে মদিনায় হিজরত করেন, তাঁরা মুহাজেরিন নামে পরিচিত। মহানবি (স.)-এর প্রতি প্রবল বিশ্বাসের কারণে তাঁরা নিজেদের ঘরবাড়ি, সহায় সম্পদ, আত্মীয়স্বজন, সবকিছু ত্যাগ করেন ।

আনসার আরবি শব্দ যার অর্থ সাহায্যকারী। মক্কা থেকে আসা মুহাজেরিনদের যাঁরা আশ্রয় দিয়েছেন, দুঃখ-দুর্দশায় সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, আল্লাহর পথে সহায়-সম্পদ উৎসর্গ করেছেন এবং মহানবি (স.)-কে সর্বাবস্থায় সাহায্য করেছেন, তাদের আনসার বলা হয় ।

প্রশ্ন-২৭। সংক্ষেপে মদিনা সনদ সম্পর্কে বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর : মহানবি (স.) মদিনায় পৌঁছে সেখানে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং মদিনায় বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সনদ তৈরি করেন যা মদিনা সনদ নামে পরিচিত। মদিনা সনদ দ্বারা মুহম্মদ (স.)-এর উপর মদিনার শাসনতান্ত্রিক কর্তৃত্ব অর্পিত হয়।

এ সনদ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য ও সস্তাব প্রতিষ্ঠা করে এবং তা পরবর্তীকালে ইসলামের সমৃদ্ধি ও সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত করে। এ সনদের মাধ্যমে মুহম্মদ (স.) ধর্ম- বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে মদিনাবাসীকে একটি সাধারণ জাতি হিসেবে ঘোষণা করেন। এ সনদের মাধ্যমে মদিনার বিবদমান গোত্রগুলো হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে, ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং ইসলামি আন্তর্জাতিকতাবাদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

প্রশ্ন-২৮। যেসব ঘটনার ফলে উহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : বদরের যুদ্ধে শোচনীয় পরাজয় বরণ করে প্রতিহিংসার বশবর্ত হয়ে মুসলমানদের অস্তিত্ব চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার জন্য তারা পুনরায় যুদ্ধে অবতীর্ণ হয় । মদিনার স্বার্থপর ইহুদিরা কাব্য ও কবিতার মাধ্যমে পরাজিত কুরাইশদের মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কুমন্ত্রণা প্রদান করে।

মহানবি (স.)-এর নেতৃত্বে মদিনায় হাশেমি গোত্রের প্রাধান্য বৃদ্ধিতে কুরাইশদের অন্য শাখা উমাইয়াদের মধ্যে ঈর্ষা বৃদ্ধি করে, বিশেষ করে উমাইয়া নেতা আবু সুফিয়ান ইসলামের ধ্বংস সাধনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়। মুহম্মদ (স.)-এর নেতৃত্বে মদিনায় রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতির ফলে কুরাইশরা আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব হারানোর আশঙ্কায় যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এসব কারণে কুরাইশরা সর্বশক্তি নিয়োগ করে উহুদের যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়

প্রশ্ন-২৯ । ইসলামের ইতিহাসে উহুদের যুদ্ধ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর : বদরের প্রান্তরে ৬২৪ সালে মুসলমানরা জয়লাভ করলেও উহুদের যুদ্ধে মুসলমানরা পরাজয় বরণ করে। এ যুদ্ধে মুহম্মদ (স.)- এর দুটি দাঁত শহিদ হয় এবং বীরকেশরী হামযা (রা.)-সহ ৭৩ জন মুসলিম যোদ্ধা শহিদ হন।

হজরত আবুবকর (রা.), হজরত উমর (রা.), হজরত আলী (রা.)-সহ ১১ জন সাহাবায়ে কেরাম উহুদের যুদ্ধে আহত হন ।
উহুদের যুদ্ধে পরাজয় থেকে মুসলমান যে শিক্ষা লাভ করেন তা পরবর্তী সময়ে সব যুদ্ধে তাদের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে এবং পরবর্তী সামরিক বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয়। এ কারণেই ইসলামের ইতিহাসে উহুদের যুদ্ধ এত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন-৩০। উহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয় হয় কেন?

উত্তর : মহানবি (স.)-এর আদেশ অমান্য করা, কর্তব্য কাজে অবহেলা, লুটতরাজের প্রবণতাই ছিল উহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয়ের প্রধান কারণ। মহানবি (স.)-এর আদেশ অমান্য করে ৫০ জন মুসলিম সৈন্য গিরিগুহা ত্যাগ করে লুটতরাজে নেমে পড়ে, আর সেই সুযোগে শত্রুবাহিনী সংঘটিত হয়ে মুসলমানদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

ফলে মুসলমান সৈন্যরা চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়। বিশ্বাসঘাতক আবদুল্লাহ ইবনে উবাই ৩০০ অনুচর নিয়ে মহানবি (স.)-এর দল ত্যাগ করলে মুসলিম বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে। যুদ্ধ চলাকালে হঠাৎ করে ধূলিঝড় প্রবাহিত হলে মুসলিম সৈন্যরা বিপর্যয়ের কবলে পড়ে।

প্রশ্ন-৩১ । ইসলামের ইতিহাসে খন্দকের যুদ্ধের গুরুত্ব নিরূপণ কর।

উত্তর : আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে প্রায় ১০ হাজার সৈন্যসহ কুরাইশদের যুদ্ধযাত্রার সংবাদে অবগত হয়ে হজরত মুহম্মদ (স.) পরামর্শ সভা আহবান করেন। সভায় পারস্যবাসী সালমান ফারসির পরামর্শে শহরের চতুর্দিকে অরক্ষিত স্থানে পরিখা খননের প্রস্তাব গৃহীত হয়।

আত্মরক্ষার এ অভিনব কৌশল দেখে কুরাইশরা হতবাক হয়ে যায়। আপ্রাণ চেষ্টা করেও তারা পরিখা অতিক্রম করে মদিনা আক্রমণ করতে ব্যর্থ হয়। এ যুদ্ধের ফলে পরাক্রমশালী ত্রিশক্তি জোটের পতন ঘটে, পক্ষান্তরে মুহম্মদ (স.) একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে তিনি পরাজিত জাতিগুলোর মধ্যে ইসলামের দ্রুত প্রসার ঘটান। এ কারণে খন্দকের যুদ্ধ গুরুত্বপূর্ণ ।

প্রশ্ন-৩২। মক্কা বিজয়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও ।

উত্তর : বিশ্বের ইতিহাসে মক্কা বিজয় ছিল এক নজিরবিহীন ঘটনা। নিজ মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত মুহম্মদ (স.) মক্কা বিজয় করে বিজয়ীর বেশে পদার্পণ করেন।
৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে মুহম্মদ (স.) ১০ হাজার মুজাহিদ বাহিনী নিয়ে মক্কা আক্রমণ করেন। ইকরামা, সুহাইল ও সাফওয়ান কর্তৃক সামান্য বাধাপ্রাপ্ত হলেও বিনা রক্তপাতে মুহম্মদ (স.) মক্কায় প্রবেশ করেন। মক্কা-বিজয় ছিল রক্তপাতহীন মহাবিজয়।

প্রশ্ন-৩৩। যুদ্ধ-বিগ্রহের ইতিহাসে মক্কা বিজয়কে একটি অদ্বিতীয় বিজয় বলা হয় কেন ?

উত্তর : বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, বিনা রক্তপাতে মুহম্মদ (স.) মক্কা বিজয় সম্পন্ন করেন। এতদিন মক্কায় তিনি ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে রক্তাক্ত হয়েছেন।” পূর্ববর্তী বিজয় অভিযানগুলো ছিল যুদ্ধবিগ্রহ, খুন, হত্যা ও রক্তপাতের ইতিহাস।

কিন্তু সেই যুদ্ধবিগ্রহের যুগেও মক্কা বিজয় ছিল এক অনন্য বিজয়। যে বিজয় ছিল ক্ষমা ও মহত্ত্বের বিজয়। তাই যথার্থই বলা যায়, বিজয়ের সমগ্র ইতিহাসে মক্কা বিজয়ের তুলনা নেই।

প্রশ্ন-৩৪ । তাবুকের যুদ্ধ সম্পর্কে বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর : হুদায়বিয়ার সন্ধির পর রোমান সম্রাট হেরাক্লিয়াস মুসলিম দূতকে সাদর আমন্ত্রণ জানালেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি মদিনা আক্রমণের স্বপ্ন দেখছিলেন। মক্কা বিজয়ের পর তায়েফ ও হুনায়নে ইসলামের সাফল্যে রোমানরা ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে, মুতার যুদ্ধে খ্রিষ্টান বাহিনীর পরাজয়কেও তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাই প্রতিশোধ গ্রহণের উদ্দেশেই রোমানরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন।

মুহম্মদ (স.) তাদের অগ্রযাত্রা রোধ করার উদ্দেশ্যে ১০ হাজার অশ্বারোহীসহ ৪০ হাজার সৈন্যের এক বাহিনী নিয়ে সিরিয়া সীমান্তে অবস্থিত তাবুকে শত্রুপক্ষের গতিরোধ করেন। মুসলমানদের এ ব্যাপক রণপ্রস্তুতিতে রোমানরা পিছু হটে এবং মহানবি (স.) সেখানে প্রায় তিন সপ্তাহ অবস্থান করে মদিনায় ফিরে আসেন।

প্রশ্ন-৩৫। খাইবার-যুদ্ধের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

উত্তর : মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতিস্বরূপ ইহুদিরা ৪ হাজার সৈন্যের একটি বাহিনী গঠন করে। মুসলমানরা ইহুদিদের রণপ্রস্তুতির সংবাদ অবগত হয়ে সপ্তম হিজরিতে ১ হাজার ৬শত সৈন্যের একটি বাহিনী নিয়ে খাইবারে ইহুদিদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

ইহুদিদের সব দুর্গ ও স্থানগুলো একে একে মুসলমানদের দখলে আসে। উপায়ান্তর না দেখে তারা মুসলমানদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। এ যুদ্ধে ৯২ জন ইহুদি সৈন্য নিহত হয় এবং মুসলমানদের মাত্র ১৫ জন সৈন্য শাহাদত বরণ করেন ।

প্রশ্ন-৩৬। সংক্ষেপে মুহম্মদ (স.)-এর সাথে ইহুদিদের সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর : মদিনায় বসবাসরত ইহুদিরা তাদের ধর্মগ্রন্থে মুহম্মদ (স.)-এর আবির্ভাবের কথা জানতে পেরে তাঁকে মদিনায় আসার আমন্ত্রণ জানায়। হিজরতের পর মুহম্মদ (স.) মদিনা সনদ প্রণয়ন করলে তারা সনদে স্বাক্ষর করে এবং সব নাগরিক সুবিধা অর্জন করে।

কিন্তু মদিনায় মুহম্মদ (স.)-এর মর্যাদা ও ইসলামের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধিতে শঙ্কিত হয়ে তারা শীঘ্রই ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সমগ্র আরবদেশকে ইহুদিদের আবাসভূমিতে পরিণত করতে ব্যর্থ হয়ে তারা ইসলামের চরম শত্রু মক্কার কুরাইশদের সাথে গোপনে হাত মিলায় এবং ইসলামের ধ্বংসসাধনে তৎপর হয়। মহানবি (স.) এদের ষড়যন্ত্র ও ইসলামের বিরুদ্ধে নানামুখী কর্মতৎপরতায় অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত মদিনা হতে বিতাড়িত করে সম্পর্কের পরিসমাপ্তি ঘটান ।

প্রশ্ন-৩৭। হজরত মুহম্মদ (স.)-এর চারিত্রিক গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : সত্যবাদিতা ছিল হজরত মুহম্মদ (স.) এর চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। নবুওয়াতের আগে বা পরে কখনো তিনি মিথ্যা কথা বলেননি বা সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। শিশুকাল থেকেই তিনি আরববাসীর কাছে বিশ্বাসী বা ‘আল-আমিন’ নামে পরিচিত ছিলেন।

মানবসেবা ছিল তাঁর চরিত্রের অন্যতম গুণ, বিশ্বমানবের সেবা করাই ছিল তাঁর মহান ব্রত। বিশ্বশ্রেষ্ঠ এ মহামানবের জীবন ছিল সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর। অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনের অধিকারী এ মহাপুরুষ সাংসারিক সমস্ত কাজকর্ম নিজের হাতেই করতেন।

প্রশ্ন-৩৮। হজরত মুহম্মদ (স.) নারীজাতির জন্য যে সংস্কার করেছিলেন তা ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর : নারীর মর্যাদা বৃদ্ধি করার জন্য মুহম্মদ (স.) বলেন, “পুরুষের নারীর উপর যতটা অধিকার আছে, নারীরও পুরুষের উপর ততটা অধিকার রয়েছে।” হজরত মুহম্মদ (স.) মাতা হিসেবে নারীকে উচ্চ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন ।

তিনি ঘোষণা করেছেন- “জননীর পদতলে সন্তানের জান্নাত অবস্থিত। “কুরআনের বাণী উচ্চারণ করে মহানবি ঘোষণা করেন, “তোমরা দারিদ্র্যের ভয়ে কন্যাসন্তানকে জীবন্ত হত্যা করো না, এটি মহাপাপ। আমি তোমার ও তাদের জীবিকা সরবরাহ করে থাকি।”

প্রশ্ন-৩৯। মহানবি (স.)-এর রাজস্বের উৎসগুলো ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজস্ব আদায়ের অন্যতম উৎস হলো যাকাত। মহানবি (স.) উৎপন্ন শস্যের অর্ধেক রাজস্ব হিসেবে ধার্য করেছিলেন। আল-ফে ছিল রাষ্ট্রীয় ভূমি। রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি থেকে আদায়কৃত দরিদ্র জনগণ ও রাষ্ট্রের মঙ্গল কাজে ব্যয় করা হতো।

এছাড়া সাদকাহ্ নামে জাকাতের অতিরিক্ত দান করার নিয়ম প্রচলিত ছিল । ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে কায়েম করা ও ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান দূরীকরণে মহানবি (স.) প্রবর্তিত রাজস্বব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করে ।

প্রশ্ন-৪০। জাকাত বলতে কী বোঝ?

উত্তর : জাকাতের আভিধানিক অর্থ পবিত্র করা, বৃদ্ধি করা কিংবা উৎকর্ষসাধন করা। কুরআন শরীফে নামাযের পরেই জাকাতের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ইসলামি শরিফের মেরেই জা মোতাবেক সারা বছরের আয়-ব্যয় নির্বাহের পর কোনো ব্যক্তির নিকট ৭২ তোলা স্বর্ণ বা ৫২ তোলা রৌপ্য কিংবা তার সমপরিমাণ সম্পদ মজুদ থাকলে তা থেকে ২% হারে জাকাত প্রদান করতে হয়।

জাকাতের মালামালসমূহের মধ্যে রয়েছে খাদ্যশস্য, ফলমূল, খেজুর, উট, ঘোড়া, ভেড়া, ছাগল, গরু, মহিষ, স্বর্ণ, রৌপ্য এবং ব্যবসায়-বাণিজ্যের মালামাল। জাকাত প্রদানের ৮টি খাত রয়েছে; এগুলো ছাড়া কাউকে জাকাত দেওয়া জায়েজ নয়।

Previous Post

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র: ২য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

Next Post

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

admin

admin

আমি একজন শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। আমার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষা সবার জন্য সহজ ও গ্রহণযোগ্য এবং কার্যকর করে তোলা। এই ওয়েবসাইটে মানসম্মত শিক্ষামূলক কনটেন্ট ও স্টাডি গাইড এবং প্রয়োজনীয় টিপস শেয়ার করা হয়।

Related Posts

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ৩য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এইচএসসি

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ৩য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

24 hours ago
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এইচএসসি

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

1 day ago
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এইচএসসি

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র: ২য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

1 day ago
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এইচএসসি

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

2 days ago
Next Post
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ৩য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ৩য় অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

Please login to join discussion
  • Paragraphবাংলা অনুচ্ছেদ
  • Composition / Essayবাংলা রচনা
  • Email / Letterইমেইল / চিঠি
  • Dialogue Writingসংলাপ
  • Completing Storyগল্প সম্পূর্ণ
  • Applicationআবেদন পত্র
  • Flow Chartফ্লো চার্ট
  • Graph & Chartগ্রাফ লেখা
  • Summaryসারাংশ
  • Report Writingপ্রতিবেদন
  • Speechভাষণ
  • Dinlipiদিনলিপি
তৃতীয় শ্রেণি

সব সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

চতুর্থ শ্রেণি

সব সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

পঞ্চম শ্রেণি

সব সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

ষষ্ঠ শ্রেণি

সব সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

সপ্তম শ্রেণি

সব সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

অষ্টম শ্রেণি

সব সাবজেক্টের অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

নবম-দশম শ্রেণি

SSC প্রস্তুতি, MCQ, সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

HSC প্রস্তুতি, বোর্ড প্রশ্ন ও সমাধান

  • About Us
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
Bangla Data Devoloper

© 2026 Bangla Data All Rights Reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • Home
  • Contact Us

© 2026 Bangla Data All Rights Reserved.