উত্তর : দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার সম্পাদিত “ঠাকুরমার ঝুলি” গ্রন্থের অন্তর্গত ‘কলাবতী রাজকন্যা’ গল্পে রাজার সন্তান হচ্ছে ভূতুম। ভূতুম ন-রানির গর্ভে জন্মগ্রহণ করে। ভূতুম পেঁচারূপে ন-রানির গর্ভে জন্মগ্রহণ করে।
সন্ন্যাসীর দেওয়া শিকড় বাটা কম খাওয়ার কারণে ন-রানির গর্ভে ভূতুম অর্থাৎ পেঁচা জন্মগ্রহণ করে। এ কারণে রাজা তাকে রাজপ্রাসাদ থেকে তাড়িয়ে দেয়। তখন ন-রানি চিড়িয়াখানার বাদি হয়ে জীবনযাপন করে।
ভূতুম মানুষের মতো কথা বলতে পারত। রাজার পাঁচ ছেলে কলাবতী রাজকন্যার দেশে গেলে ভূতুম তার ভাইদের বিভিন্নভাবে সাহায্য করে। পরবর্তীতে রাজা তার ভুল বুঝতে পেরে ম-রানিকে রাজপ্রাসাদে ফিরিয়ে আনে এবং এক দেশের রাজকন্যা হীরাবতীর সঙ্গে ভূতুমের বিবাহ দেয়।
একদিন হীরাবতী রাজকন্যা ঘুম থেকে জেগে দেখে তার পাশে স্বামী নেই তখন সে তার বিছানায় পেঁচার পাখনা দেখে তা প্রদীপের আগুনে পুড়িয়ে ফেলে। পরে দেখা যায় ভূতুম আসলে পেঁচা ছিল না, মানুষই ছিল। মানুষ রূপ ধারণ করে তার নাম হয় বুধকুমার।


